গত মার্চে অধিনায়ক হিসেবে নিজের শেষ ম্যাচ খেলেছেন মাশরাফি। তার জায়গায় ওয়ানডের নেতৃত্ব ভার দেওয়া হয়েছে তামিমের কাঁধে। সেই দুজনেই সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আড্ডায় মজেছিলেন। আর সেখানেই আরেকবার উন্মোচন হয়েছে সতীর্থদের প্রতি কতটা আস্থাশীল মাশরাফি।
২০১৫ সালের একটি ঘটনা সামনে এনেছেন তামিম। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে রান না পাওয়ায় পরের ম্যাচে তাকে বাদ দিতে বলেছিলেন বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যুক্ত একজন। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে দেননি মাশরাফি। সেই ঘটনা স্মরণ করে তামিম বলেছেন, ‘আমি আউট হওয়া মাত্রই একজন আপনাকে বলেছিল এটা নিশ্চিত করতে যে, আমি যেন পরের ম্যাচে না খেলি। আপনি তখন বলেছিলেন, এটা হলে আপনি পদত্যাগ করবেন। আমি আশা করি ও প্রার্থনা করি, আমিও যেন ওই অবস্থায় যাই, যেন অন্যদের জন্য এমন কথা বলতে পারি।’
এই কথার সূত্র ধরে নতুন ওয়ানডে অধিনায়ককে মাশরাফির পরামর্শ, তামিমও যেন সতীর্থদের পাশে থাকেন, ‘একটু তো ধৈর্য রাখতে হবে। আমার কথা হচ্ছে, তুই তোর দলকে যদি বোঝাতে পারিস যে, দলের জন্য সম্ভাব্য সব করবি, তাহলে দলের সবাই তোর জন্য হলেও সেরাটা দেবে।’
তরুণ তিন ক্রিকেটার সৌম্য সরকার, লিটন দাস ও মোস্তাফিজুর রহমানকে উদাহরণ হিসেবে সামনে আনলেন মাশরাফি, ‘তুই যদি সৌম্য-লিটন-মোস্তাফিজদের পাশে থাকতে পারিস, ওদের প্রয়োজনের সময়, ওরা কিন্তু শতভাগ ম্যাচ উইনার, ওরাও তাহলে বিশ্বাস পাবে। আমার মতে, তোরা আছিস, খুব ভালো হাতেই আছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। আরও এগিয়ে যাবে দল।’