শুরু থেকেই করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যা যা করণীয়, তা সম্পর্কে মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রচারণা ও জনসচেতনতামূলক কাজ করে যাচ্ছেন মহসিন। মানুষজনের মধ্যে সচেতনা বাড়াতে দৈনিক পত্রিকার মধ্যে হ্যান্ড বিল, লিফলেট, ব্যানার, ৩ ফুট দূরত্ব মানতে দোকানের সামনে ছক এঁকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন তিনি। পাশাপাশি অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষদের খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন মহসিন।
নিজের কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি নিজ শহর টঙ্গী ও গাজীপুরে প্রতিবন্ধী মানুষদের খাবারের ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া ঢাকার মিরপুর, কালশি, পল্লবী, বাড্ডা, রামপুরাসহ আরও বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবন্ধী পরিবারে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি।’
হুইলচেয়ারে ভর দিয়েই মহসিনকে নিজের কাজগুলো করতে হয়। অথচ সেই মহসিনই কিনা সংকটকালে অসহায় মানুষদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছেন। এমন কাজে ভীষণ অনুপ্রেরণা পান মহসিন, ‘সত্যি কথা এই কাজগুলো করতে খুব ভালো লাগে। মানুষতো মানুষের জন্যই। আমি আমার পক্ষ থেকে যতখানি করা সম্ভব, সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সবাই যদি সবার জায়গা থেকে সবাইকে সচেতন করে, অসহায়দের পাশে দাঁড়ায়, আমরা খুব দ্রুতই করোনা থেবে মুক্ত হবো।’