কালের পরিক্রমায় বাংলাদেশে এখন বাঁহাতি স্পিনারের আখড়া। বলা হয়ে থাকে সাকিব আল হাসানকে আদর্শ মেনে এখন আরও বেশি বাঁহাতি স্পিনার পাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু বাঁহাতি স্পিনের বীজটা বুনে দিয়েছিলেন এই রামচাঁদই। আন্তর্জাতিক ম্যাচ তো দূরে থাক, কখনও আইসিসি ট্রফির কোনও ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি তার। কিন্তু তার বাঁহাতি বোলিংয়ের আলো ঠিকই ছড়িয়ে পড়েছিল বাংলাদেশে। এনামুল হক মনি, মোহাম্মদ রফিক হয়ে সাকিব, এরপর... সংখ্যাটা বেড়েই চলেছে।
ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট রাঙিয়েছেন তিনি দারুণ পারফরম্যান্সে। খেলেছেন ভিক্টোরিয়া, মোহামেডান ও আবাহনীর মতো ক্লাবে। আবাহনীর সঙ্গে তার সম্পর্কটা অন্যরকম। তিনি আসলে হয়ে উঠেছিলেন আবাহনীর প্রতীক, ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটিতে রামচাঁদ খেলেছেন আশির দশকের শুরু থেকে নব্বইয়ের দশকের শুরু পর্যন্ত। জাতীয় দলের জার্সিতেও খেলেছেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সৌভাগ্য হয়নি তার।
ক্রিকেটকে ভালোবেসে বিয়ে আর করেননি, একাই কাটিয়ে দিয়েছেন জীবন। বাংলাদেশের ক্রিকেটকে অনেক কিছু দিলেও আড়ালেই থেকেছেন সবসময়। যেখান থেকে ক্রিকেট জীবন শুরু করেছিলেন, সেই ময়মনসিংহের সার্কিট হাউজ মাঠে কাটিয়ে দিয়েছেন জীবনের শেষ দিনগুলো।