ডাবল লিগ পদ্ধতিতে এবারের বিসিএল

বিসিএল

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) চতুর্থ আসর শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে আগামী মাসের ১০ তারিখে। শুধু তাই নয় অনূর্ধ্ব-১৯ দল নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বড় দৈর্ঘ্যের লিগও শুরু হতে যাচ্ছে। যা ১৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা। চট্টগ্রামে এমএ আজিজ ও জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে হবে খেলা।

রবিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে এসব কথা জানান টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান।

আগের আসরগুলো সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতিতে হলেও এবার ডাবল লিগ পদ্ধতিতে হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আশা করি জানুয়ারির ১০ তারিখ আমরা বিসিএল শুরু করতে পারবো। এবং এটা আগের ফরম্যাটে ডাবল লিগ পদ্ধতিতে হবে। তবে এই পদ্ধতিতে ফাইনাল থাকছে না।’

আগামী বছরের শুরু থেকে ভেন্যুগুলো ব্যস্ত থাকবে আন্তর্জাতিক সূচি এবং আইসিসির ইভেন্টের কারণে। এই কারণে এবারের ম্যাচগুলো রাজশাহী এবং বগুড়ায় করায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিম ম্যানেজম্যান্ট। আগে ২ দিন বিরতি থাকলেও এবার ৩ দিন বিরতি থাকছে প্রত্যেক ম্যাচের আগে।

এবারের আসরে সমস্যা জাতীয় দলের খেলার সুযোগ খুব কম। তারপরও আশাবাদী আকরাম খান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের টপ ৮০-৯০ জন ক্রিকেটার খেলবে বিসিএলে, কাজেই সমস্যা হবে না। তখন বাংলাদেশের ক্যাম্প চলতে থাকবে। তখন কোচ বা টিম ম্যানেজমেন্টের যদি মনে হয় কোনও ব্যাটসম্যান বা বোলারকে খেলাতে হবে, তখন কোচের সঙ্গে আলাপ করে খেলানো যাবে।’

অনূর্ধ্ব-১৯ দল নিয়ে বড় দৈর্ঘ্যের লিগও আয়োজনে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান আকরাম খান। আগের বছরের মতো এবারে ম্যাচ ফি থাকছে ৪০ হাজার টাকা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ম্যাচ ফি না বাড়লে খেলোয়াড়দের আয় ঠিকই বাড়ছে। কেননা ম্যাচ বেড়েছে।’

এবারও ভালো উইকেট হবে বলে আশাবাদী আকরাম খান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগের বারের চেয়ে গতবার উইকেট ভালো ছিল। এবারও বগুড়া ও রাজশাহীর কিউরেটরকে আমরা বলবো স্পোর্টিং উইকেট তৈরি করার কথা। বোলার-ব্যাটসম্যান সবাই ভালো করবে। অবশ্যই মরা উইকেট থাকবে না।’

/আরআই/এমআর/