‘তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য এটি দারুণ সুযোগ। বিপিএল যখন হয়, বিদেশি প্লেয়ারদের জন্য ভালো পজিশনে বোলিং করতে পারে না আমাদের তরুণ বোলাররা। ফলে আমরা ডেথ ওভারের ভালো বোলার খুঁজে পাচ্ছি না। এই টুর্নামেন্ট থেকে আমরা হয়তো বেশ কিছু প্রতিভা খুঁজে পাবো। বিসিবির জন্য এটা অনেক বড় একটা বাড়তি পাওয়া যে এখানে অনেক তরুণ ক্রিকেটারকে দেখবো, যারা নিজেদের প্রমাণ করতে পারবে।’- বলেছেন সাবেক অধিনায়ক।
পাঁচ দল নিয়ে আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি। ইতিমধ্যে দলগুলো তাদের খেলোয়াড় চূড়ান্ত করে নিয়েছে। জাতীয় দলের পাশাপাশি স্কোয়াডে রয়েছেন এইচপি ইউনিটের ক্রিকেটাররা, যেখানে বেশিরভাগই অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য।
তাদের সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে এই প্রতিযোগিতাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন মাহমুদ, ‘তরুণদের জন্য প্রমাণের ভালো সুযোগ। জায়গা মতো ব্যাট করতে পারবে, বিশেষ করে যারা ৪-৫ নম্বরে ব্যাট করে ম্যাচ ফিনিশ করবে এই ফরম্যাটে, দেখা যাবে তারা কী করে। সুতরাং তাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়ে যেতে হবে। তাদের জন্য বড় সুযোগ যে বিদেশি ক্রিকেটার নেই। নিজেদের প্রমাণ করার যে, আমিই আমার অবস্থান তৈরি করে নেবো। বোলারদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে নতুন বল তারা কীভাবে ব্যবহার করবে, ডেথ ওভারে, মাঝখানে তারা কীভাবে বল করবে- এসব জিনিস শিখবে এখান থেকে।’
মুশফিকুর রহিম, রুবেল হোসেন, সাব্বির রহমানের মতো বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার আছেন বেক্সিমকো ঢাকাতে। এছাড়া যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের তানজিদ হাসান তামিম, আকবর হোসেন, শাহাদত হোসেন ছাড়াও নাঈম হাসান, মেহেদী রানা ও আবু হায়দারের মতো তরুণ ক্রিকেটার আছেন ঢাকাতে।
স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মাহমুদ, ‘খুবই তরুণ একটা দল, অভিজ্ঞ বলতে মুশফিক আছে, রুবেল আছে। আরও দুই-একজন হতে পারে, কিন্তু একটা ইয়ং সাইড। আশা করি, ভালো করবে আমাদের দলটা। এই টুর্নামেন্টে তরুণদের ওপরই নির্ভর করতে হবে, ওরাও ভালো ক্রিকেটার। মাঠে আমাদের প্রয়োগটা যদি ভালো হয়, পরিকল্পনা করে খেলতে পারি, সুযোগ আসবে। বলবো না যে টুর্নামেন্টের সেরা দল, কাগজে-কলমে সেটা বলতে পারবো না। তবে আমি দল নিয়ে খুশি, তরুণ যারা আছে তারা সবাই দারুণ ক্রিকেটার।’