করোনা টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ হওয়ার পর ক্রিকেটার ও টিম ম্যানেজমেন্ট হোটেলে জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে প্রবেশ করবেন। আর গ্রাউন্ডসকর্মীরা থাকবেন মিরপুর ক্রীড়া পল্লীতে। এছাড়া মিরপুর ক্রিকেট একাডেমি ভবনের একতলায় করা হয়েছে আইসোলেশন সেন্টার। টুর্নামেন্ট চলাকালীন কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তাদের দ্রুততম সময়ে আইসোলেশন নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা রাখছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
এ ব্যাপারে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘শুক্রবার পাঁচ দলের ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ, টিম ম্যানেজমেন্ট, হোটেল কর্তৃপক্ষ মিলিয়ে ২৫০ জনের বেশি টেস্ট করানো হবে। আশা করি, ওয়ানডে টুর্নামেন্টের মতো এই টুর্নামেন্টেও আমরা জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করে রাখতে পারবো।’
কুড়ি ওভার সংস্করণের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে পাঁচ দল- বেক্সিমকো ঢাকা, জেমকন খুলনা, ফরচুন বরিশাল, গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম ও মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। গত সপ্তাহে ঢাকার স্থানীয় এক হোটেলে প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমে এই দলগুলো গুছিয়ে নিয়েছে তাদের ঘর।