আজ (বুধবার) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমকে সাইফউদ্দিন বলেছেন, ‘জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার কারণে এমআরআই করতে পারিনি। টুর্নামেন্ট শেষে এমআরআই করিয়ে লিগামেন্টে কিছু সমস্যা পাই। আমি অবশ্য কিছুটা ব্যথা অনুভব করেছিলাম, ভেবেছিলাম এক সপ্তাহ পর চলে যাবে। কিন্তু হয়নি। এখন দেবাশিষ (বিসিবির প্রধান চিকিৎসক) স্যার, শাওন ভাই, বায়োজিদ ভাইদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। উনাদের প্লান অনুযায়ী এগোচ্ছি। আমাকে প্রায় তিন সপ্তাহের মতো পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে।’
সামনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর। তার আগে অবশ্য সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী সাইফউদ্দিন, ‘আমি আশাবাদী। সুস্থ হওয়ার পর আমার কিছু টেস্ট নেবে- বোলিং টেস্ট বা রানিং, ফিটনেস টেস্ট। সবকিছু ঠিক থাকলে হয়তো ছাড়পত্র পাবো।’
পেসারের প্রায়ই পিঠের চোটে ভুগতে হয়। সাইফউদ্দিন এই ইনজুরি নিয়েই দীর্ঘদিন খেলছেন। চোট তাই তার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে, ‘২০১০ সাল থেকেই এটা আসলে অভ্যাস হয়ে গেছে। যখন আমি অনূর্ধ্ব-১৫ দলে সফর করি, তখন আমার ব্যাকে (পিঠে) সমস্যা ছিল। এছাড়া সিটি ক্লাব মাঠে একটি অনুশীলন ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় ড্রাইভ দিতে গিয়ে রিস্টে ফ্র্যাকচার হয়, সেটা আমি বুঝতে পারিনি। ইনজুরি আসলে কারও হাতে থাকে না, কারও কন্ট্রোলে থাকে না। তারপরও এসব মানিয়ে নিতে হয়।’
বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে তিন ম্যাচে ৩ উইকেট নেওয়া সাইফউদ্দিন মাঠে ফেরার আগে দুই সপ্তাহ রিহ্যাবেও ছিলেন। কিন্তু লিগামেন্টে যে সমস্যা, সেটি বিন্দুমাত্র বুঝতে পারেননি, ‘দুই সপ্তাহের মতো রিহ্যাব করার পর ভালো ফিল হয়েছে, নেটেও ভালো ফিল হচ্ছিল। নিজের ভেতর কনফিউশন কাজ করছিল বলেই এমআরআইটা করাই। এখন তো বুঝতেই পারছি, কতটা সমস্যায় ছিলাম।’