দুই ইংলিশ কোচের কোয়ারেন্টিনের সময় কমানোর চেষ্টায় বিসিবি

ক্রেগ ম্যাকমিলানের জায়গায় ইংল্যান্ডের জন লুইসকে ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে তার চুক্তিটা দীর্ঘমেয়াদি নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে লুইস ঢাকায় পৌঁছালেও থাকতে হচ্ছে হোটেলবন্দী হয়ে। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন তার জন্য বাধ্যতামূলক। যদিও বিসিবি চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টির সুরাহা করতে।

শিগগিরই দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারছেন না লুইস। অন্য কোচরা কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছ থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় অনুমতি নিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পেরেছেন। কিন্তু লুইসসহ নারী ক্রিকেট দলের ব্রিটিশ কোচ মার্ক রিচার্ডসনের বেলাতে সেটি হচ্ছে না। ইংল্যান্ডে নতুন করে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ায় ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। তেমনটি হলে ২০ জানুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের আগে কাজে যোগ দিতে পারবেন না ইংল্যান্ডের প্রথম শ্রেণির সাবেক এই ক্রিকেটার।

বিসিবি অবশ্য অন্যভাবে চেষ্টা করছে। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ‘ব্রিটিশ নাগরিকদের ক্ষেত্রে ১৪ দিনের বিধিনিষেধ রয়েছে। আমরা সে ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের সঙ্গে কথা বলেছি। বিশেষ অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়েছে। শুধু জন লুইস নন, নারী দলের আরেকজন ব্রিটিশ স্টাফ রয়েছেন, তাদের মওকুফের (কোয়ারেন্টিনের সময় কমানো) জন্য আবেদন করা হয়েছে। ইতোপূর্বেও সরকার আমাদের দিয়েছিলেন, সেটা প্রক্রিয়াধীন আছে। সেটি হলে পরপর দুটি পরীক্ষায় নেগেটিভ প্রমাণিত হলেই তারা দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।’

সদ্য নিয়োগ পাওয়া ব্যাটিং কোচ লুইস ডারহাম ও সাসেক্সের হয়ে ২০৫টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ১৬ সেঞ্চুরিতে ১০ হাজার ৮২১ রান করেছেন। ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর ডারহামের কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে ৬ দিন পর শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং পরামর্শকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। লঙ্কানদের সাবেক কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের ডেপুটি হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। গত বিশ্বকাপ শেষে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের দায়িত্ব ছেড়ে দেন লুইস।