সিনিয়র পেসারদের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে ভালো করেছেন তরুণ পেসাররা। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে একাদশ গঠনে নির্বাচকদের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে। পেসারদের এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিজের সেরাটা দেওয়া ছাড়া উপায় দেখছেন না অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
তার সঙ্গে অভিজ্ঞ রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান আছেন বাংলাদেশের পেস আক্রমণে। পাশাপাশি তরুণ দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদও সুযোগ পেয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রাথমিক স্কোয়াডে।
আজ (মঙ্গলবার) তৃতীয় দিনের মতো অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। সেখানে নিজেকে ফিরে পেতে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সাইফউদ্দিন। ইনজুরি থেকে ফিরে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে তিন ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। তবে তার আগে প্রেসিডেন্টস কাপে চার ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়ে সব আলো নিজের ওপর ফেলেছিলেন ২৪ বছর বয়সী ক্রিকেটার।
নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে সাইফউদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ গত তিন দিন হাই ইন্টেন্সি নিয়ে অনুশীলন করলাম; ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং- সবই করলাম। আর শেষ দুটো টুর্নামেন্ট- বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে আমাদের পেসাররা অনেক ভালো করেছে। এ কারণে পেসারদের অনেক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হবে একাদশে সুযোগ পাওয়া নিয়ে। এজন্য নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। বাকিটা আল্লাহর হাতে। সব মিলিয়ে সেশনগুলো খুব উপভোগ করছি। সামনে আরও সুযোগ পাবো অনুশীলনের, পাশাপাশি অনুশীলন কিছু ম্যাচও আছে।’
সবকিছু ছাপিয়ে সাইফউদ্দিনের মনে আনন্দ মাঠে ফিরতে পেরে, ‘অনেক খুশির বিষয়, আমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে যাচ্ছি। শুরুতে ঘরবন্দী ছিলাম, এর মধ্যে ঘরোয়া ক্রিকেট খেললাম। আসলে জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা সবসময় গর্বের বিষয়। আর সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের মাঝে একবছর পর সাকিব ভাই ফিরে এসেছেন, এ কারণে ভালো লাগাটা অন্যরকম। আর যেহেতু ঘরের মাঠে সিরিজ, তাই বাড়তি উদ্দীপনা জোগাচ্ছে।’