টি-টেন লিগে প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও শুক্রবার হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে মোসাদ্দেক হোসেনের নেতৃত্বাধীন মারাঠা অ্যারাবিয়ান্স। বাংলাদেশের তারকা মোসাদ্দেকের অধিনায়কোচিত ইনিংসের পরও দিল্লি বুলসের কাছে তার দল হেরেছে ৯ উইকেটে। তাও আবার ৩০ বল হাতে রেখে।
আবুধাবিতে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে মোসাদ্দেক হোসেনের মারাঠা। নেমেই ২৬ রানে হারায় গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেট। আইকন ক্রিকেটার হাফিজও ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। তার পরেও জাভেদ আহমাদি ও মোসাদ্দেক হোসেন রান তুলে স্কোর সমৃদ্ধ করেছেন। আহমাদি ১৯ বলে ২৪ রান করে ফিরলেও বেশি আগ্রাসী ছিলেন মোসাদ্দেক। ২২ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত থেকেছেন ৩৫ রানে। তাতে ৪ উইকেটে নির্ধারিত ১০ ওভারে তারা পায় ৮৭ রানের পুঁজি।
দিল্লির সামনে এই মামুলি স্কোর পাত্তা পায়নি মোটেও। দ্বিতীয় বলে রাহমানুল্লাহ গুরবাজ ফিরে গেলেও বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দিয়েছেন ক্যারিবীয়দের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের তারকা ব্যাটসম্যান এভিন লুইস। ১৬ বলে ২টি চার ও ৭ ছক্কায় অপরাজিত থেকেছেন ৫৫ রানে। রবি বোপারও কম ছিলেন না। ১২ বলে ৫টি চারে ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। এ দুজনের ঝড়ো ইনিংসে মাত্র ৫ ওভারেই ১ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় দিল্লি।
মারাঠার হয়ে খেলা বাংলাদেশের দুই বোলরা সোহাগ গাজী ও মুক্তার আলী বল হাতে তেমন কিছুই করতে পারেননি। স্পিনার সোহাগ তো ১ ওভারে ১৫ রান দিয়েছেন। কিন্তু ডানহাতি মিডিয়াম পেসার মুক্তার আলী ছিলেন সবচেয়ে ব্যয়বহুল। ১ ওভারে দিয়েছেন ৩৩ রান!
একইভাবে হার দেখেছে নাসির হোসেনের নেতৃত্বাধীন পুনে ডেভিলসও। লাহোর কালান্দার্সের কাছে ৯ উইকেটে হেরেছে নাসিরের দল। পুনের ২ উইকেটে করা ১০৭ রানের পর লাহোর ৭.১ ওভারে ১ উইকেট হারিয়েই কাঙ্ক্ষিত জয় তুলে নেয়। নাসির অবশ্য আজ বল হাতে কোনও ভেলকি দেখাতে পারেননি। ১ ওভারে ২১ রান দিয়ে উইকেট শূন্য ছিলেন!