প্রথম ম্যাচে সম্ভাবনা জাগিয়েও জয়ের দেখা পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য সফরকারীরা জিতেছে দাপুটে ভঙ্গিমায়। পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা ফিরেয়েছে প্রোটিয়ারা। ৪ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের দেওয়া ১৪৫ রানের লক্ষ্য ২২ বল হাতে রেখেই ছুঁয়েছে সফরকারীরা।
গত ম্যাচে মাত্র ৩ রানে হেরে একাদশে তিনটি পরিবর্তন এনেছিল প্রোটিয়ারা। আর সেটাই সফরকারীদের জয়ে ভূমিকা রেখেছে। তাতে মিলারদের জয় মিললো ৫ ম্যাচ পর!
স্বাগতিক পাকিস্তান অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে নেমেছিল। শুরুতে টস জিতে আবারও ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় প্রোটিয়ারা। আজকে অবশ্য তারা পাকিস্তানের স্কোর আটকে রাখতে সক্ষম ছিল। গত ম্যাচের মতো আজও সফল ছিলেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান রিজওয়ান। ৪১ বলে সর্বোচ্চ ৫১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। যদিও সেটি বিধ্বংসী ছিল না। প্রোটিয়াদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে তুলতে পারে ১৪৪ রান। শেষ দিকে ফাহিম আশরাফের কারণে স্কোরবোর্ড কিছুটা ভদ্রস্থ হয়েছে। ১২ বলে তিনি করেছেন ৩০ রান।
স্বাগতিকদের চেপে ধরতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল বোলিং অলরাউন্ডার ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের। ১৭ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে প্রোটিয়াদের এটাই সেরা বোলিং। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।
জবাবে প্রোটিয়ারা ২১ রানে দুই উইকেট হারালেও সফরকারীদের জয় পেতে ভূমিকা ছিল রিজা হ্যান্ড্রিকস ও পাইট ভন বিলজনের। তাদের মাঝে বিলজন এই ম্যাচেই ফিরেছেন। তৃতীয় উইকেটে তাদের ৭৭ রানের জুটিই শেষ পর্যন্ত জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছে।
রিজা ও বিলজন ফিরেছেন ৪২ রান করে। বাকি কাজ সেরেছেন ডেভিড মিলার ও হেইনরিখ ক্লাসেন। দুজনের ঝড়ো গতির ব্যাটিংয়ে ১৬.২ ওভারে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৯ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন মিলার, ক্লাসেন ৯ বলে অপরাজিত থাকেন ১৭ রানে।