নিউজিল্যান্ডে পেস আক্রমণই স্বপ্ন দেখাচ্ছে তামিমকে

নিউজিল্যান্ড সফরে তিন ফরম্যাটের কোনওটিতেই জয়ের মুখ দেখেনি বাংলাদেশ। নিরপেক্ষ ভেন্যু কিংবা নিজেদের মাঠে একাধিক জয় থাকলেও কিউই কন্ডিশনে শুধুই ব্যর্থতা। এবার নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন জয় করে সেই আক্ষেপ দূর করতে মরিয়া সফরকারীরা।  আর এমনটি করতে তামিম ইকবালকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে এবারের পেস আক্রমণ!

রুবেল-মোস্তাফিজ-তাসকিনদের নিয়ে দলে বিশেষজ্ঞ সাত পেসার রয়েছেন। পাশাপাশি পার্ট টাইমার হিসেবে আছেন সৌম্য সরকার। তাই এই পেস আক্রমণই আশা দেখাচ্ছে তামিমকে,  ‘সত্যি কথা আমাদের এবারের পেস আক্রমণ  পূর্বের চেয়ে যথেষ্ট ভালো। তারা ভালো করবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আশা করছি, প্রথম ম্যাচ থেকেই আমরা লক্ষ্য পূরণ করতে পারবো।’

বোলারদের প্রশংসা করতে গিয়ে তামিম আরও বলেছেন, ‘আমি আমাদের নতুন পেসারদের নিয়ে বেশ আশাবাদী। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে। নেটে বলেন, প্রস্তুতি ম্যাচ, ওরা ভালো বল করেছে। তাই আমি খুব আশাবাদী, ওরা যদি ভালো করে, আমাদের জন্য ম্যাচ জেতা অনেক সহজ হয়ে যাবে।’

নিউজিল্যান্ড কন্ডিশনে নতুন বলে ব্যাটিং করা সব সময়ই কঠিন। এই কঠিন কন্ডিশন জয় করার কৌশল জানা নেই তামিমেরও, ‘নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে সাধারণত নতুন বলে প্রথম ১০-১৫ ওভার সামলানো কঠিন।তাই এই সময়ে উইকেট পড়ে যাওয়া বা স্ট্রাগল করা স্বাভাবিক। কারণ আমরা যে ধরনের উইকেটে খেলতে অভ্যস্ত, সেই তুলনায় এখানে বল বেশি সুইং করে। তাই নতুন বল খুব চ্যালেঞ্জিং।’

তবে নিউজিল্যান্ডে ভালো করার টোটকা দিয়েছেন ওয়ানডে অধিনায়ক, ‘আমাদের ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট বলতে প্রতি ১০ ওভারে ১০০ রান করতে হবে সেটা বুঝাইনি বা প্রথম ৫ ওভারে ৫ উইকেট নিয়ে নিতে হবে এমনটাও নয়। আমাদের সবকিছুতে ইতিবাচক থাকতে হবে। যেহেতু আমাদের অতীত রেকর্ড ভালো না, তাই ভিন্নভাবে কাজ করতে হবে।’

লম্বা সময় নিউজিল্যান্ডের মাটিতে থাকার ফলে সুবিধা হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তামিমের উত্তর, ‘অবশ্যই এর চেয়ে ভালো কিছু হতে পারতো না। কারণ ১৪ দিন আমরা কোয়ারেন্টিনে ছিলাম। এরপর এক সপ্তাহের মতো অনুশীলন করতে পেরেছি। বিসিবি আমাদের প্রস্তুতির জন্য দারুণ সুযোগ করে দিয়েছে। তাই প্রস্তুতি নিয়ে আমাদের কোন ঘাটতি নেই।’

২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকাটা জরুরি। বাংলাদেশ তিন ম্যাচের তিনটিতে জিতে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে আছে। তামিম অবশ্য জানালেন, এসব নিয়ে তিনি ভাবছেন না। তার ভাবনায় আছে বিশ্বকাপে কীভাবে ভালো করা যায়, ‘২০২৩ বিশ্বকাপের বাছাইয়ের জন্য প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। সামনে দক্ষিণ আফ্রিকায় একটা সিরিজ আছে। সাধারণত এই দুটা দেশে আমাদের ফলাফল খুব একটা ভালো না। এখানে ভালো করতে পারলে বিশ্বকাপের আগে আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে।’