বঙ্গবন্ধু জাতীয় লিগের দ্বিতীয় স্তরের দুটি ম্যাচ দুটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের হেসেখেলে হারিয়েছে ঢাকা মেট্রো। অপর ম্যাচটিতে রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে স্বাগতিক রাজশাহীকে হারিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ।
বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনের মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই ঢাকা মেট্রোর জয় নিশ্চিত হয়। হাতে ৩ উইকেট রেখে ১৭৭ রানে শেষ দিনের খেলা শুরু করে বরিশাল। মাত্র ৩১ রান যোগ করতেই অলআউট হয় স্বাগতিকরা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে সালমানের ব্যাট থেকে।
বল হাতে ঢাকা মেট্রোর হয়ে বাঁহাতি পেসার আবু হায়দার রনি নেন ৩ উইকেট। সেঞ্চুরিয়ান শহিদুল ইসলাম দুটি এবং আরফাত সানী দুটি করে উইকেট নেন।
মাত্র ৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২ উইকেট হারায় ঢাকা মেট্রো। দলীয় ৩০ রানে আনিসুল ইসলাম ইমন (১০) আউট হন। তিনে নামা শামসুর রহমান আউট হন ৪ রানে। এর পর জাহিদুজ্জামান ১৫ ও মার্শাল আইয়ুব ১ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন। দুটি উইকেটই নেন স্পিনার তানবীর।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ১৭২ রানের লিড নিয়েছিল ঢাকা। বরিশাল বিভাগের করা ২৪১ রানের জবাবে ঢাকা মেট্রো করে ৪১৩ রান। দলের অধিনায়ক মার্শালের ১১২ রানের ইনিংস বাদেও সেঞ্চুরি পেয়েছেন শহিদুল (১০৬)। দুই ইনিংস মিলিয়ে বল হাতে তার শিকার ৩ উইকেট। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে শহীদুলের হাতেই।
দ্বিতীয় স্তরের অপর ম্যাচে স্বাগতিক রাজশাহীকে হারিয়ে ৮৮ রানের জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম। ২৮৩ রানের লক্ষ্যে নেমে জুনায়েদ সিদ্দিকীর অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরিতেই জয়ের স্বপ্ন দেখছিল রাজশাহী। কিন্তু যোগ্য সঙ্গীর অভাবে দলকে জেতাতে পারলেন না জুনায়েদ। শেষ পর্যন্ত ১৯৪ রানে থামে রাজশাহী।
রানা ৩৫ রান দিয়ে নিয়েছেন চার উইকেট। প্রথম ইনিংসে তার শিকার তিন জন। ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে সেরা খেলোয়াড় এই পেসার।
এর আগে চট্টগ্রামের ২৮৭ রানের জবাবে রাজশাহী ১৫২ রানে অলআউট হয়। ১৩৫ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে চট্টগ্রাম সংগ্রহ করে ১৪৭। তাতে রাজশাহীর জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৮৩।