৫ ম্যাচ সিরিজ ২-২ এ সমতা বিরাজ করায় শেষ ম্যাচটি ছিল অঘোষিত ফাইনাল। সেই ফাইনালটি হলো ঠিক ফাইনালের মতোই। রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ২ দুই উইকেটে হারিয়ে শেষ পর্যন্ত সিরিজ জিতে নিয়েছে আফগানরা। আফগান বাটসম্যান গুলাবদীন নবীর ৬৮ বলে অপরাজিত ৮২ রানের কাছে বিফলে গেল জিম্বাবুয়ের হ্যামিল্টন মাসকদজার সেঞ্চুরিও।
এদিন টস জিতে ব্যাট করারর সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক এল্টন চিগুম্বুরা। যদিও শুরুতে চামু চিভাবার উইকেট হারিয়ে কিছুটা বিপদে পড়ে গিয়েছিল তারা। কিন্তু পিটার মুর আর হ্যামিল্টন মাসাকাদজার ব্যাটে আফগানদের ওপর উল্টো চেপে বসে চিম্বাবুয়ে। ৪২ রান করে পিটার মুর আউট হয়ে গেলেও মাসাকাদজা করেন অনবদ্য সেঞ্চুরি।
পিটার মুরের সঙ্গে ভালোমানের জুটি বেধেছিলেন মুতুম্বামিও। তবে ১৬৭ রানের মাথায় ৪০ রান করে মুতুম্বামি আউট হয়ে গেলে ধ্বস নামে জিম্বাবুয়ে ইনিংসে। এরই ফাঁকে একপ্রান্ত আগলে রেখে নিজের ক্যারিয়ারে চতুর্থ সেঞ্চুরিটা পূরণ করে নেন মাসাকাদজা।
১১১ বলে ১১০ রান করার পর আউট হয়ে যান মাসাকাদজা। সিকান্দার রাজা করেন ২৯ রান। ৪৯.৫ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ২৪৮ রান করে জিম্বাবুয়ে। আফগানিস্তানের আমির হামজা ৩টি, দাওলাত জাদরান, রশিদ খান এবং মোহাম্মদ নবি নেন ২টি করে উইকেট।
২৪৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই করে আফগানরা। প্রথম উইকেটের পতন ঘটে ৪৯ রানে। দলীয় ৫৯ রানে আউট হন নওরোজ মঙ্গল (২)। ৬৬ রানের নুর আলী জারদান (৩০) আউট হলে আফগানদের তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে।
দলীয় ১২১ রানে আউট হন মোহাম্মদ নবী (২৬) ও হাশমতুল্লাহ শাহিদী (৩২)। এ সময় পরাজয়ের শঙ্কা দেখা দেয় আফগান শিবিরে। তবে শেষ পর্যন্ত গোলামদীন নবীর দাপটে জয় তুলে নেয় আফগানরা। তিনি ৬৮ বলে অপরাজিত ৮২ রান করেন। সপ্তম উইকেট জুটিতে নবীকে যোগ্য সঙ্গ দেন রশিদ খান (৩২)। শেষ ওভারে জিততে আফগানদের প্রয়োজন ছিল ১০ রান। হাতে ছিল দুই উইকেট। সব আশঙ্কা উড়িয়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান নবী।
এ জয়ে ৫ ম্যাচের সিরিজ ৩-২ এ জিতে নিল আফগানিস্তান। এই জিম্বাবুয়েকে হারিয়েই টেস্ট প্লেয়িং কোনও দলের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের রেকর্ড গড়ে আফগানিস্তান।
/এমআর/