শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তামিম ইকবাল-মোহাম্মদ মিঠুন পর পর বিদায় নেওয়ায় চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই চাপ কাটিয়ে উঠতে শতরানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ। মুশফিক নিজেও সেঞ্চুরির কাছে ছিলেন। কিন্তু দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় ৮৪ রানেই ফিরে গেছেন। প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৪৫.৩ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২১৮ রান।
মিরপুর স্টেডিয়ামে টস জিতে খেলতে নেমে শূন্য রানে ফিরেছেন লিটন দাস। অথচ কয়েক দিন আগে লিটনকে নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছিলেন অধিনায়ক তামিম। কিন্তু তিন বল খেলে এই ওপেনার ফিরে গেছেন দ্বিতীয় ওভারেই। দুষ্মন্থ চামিরার অফ স্টাম্পের বাইরের বল ঠিক মতো খেলতে পারেননি। বল ব্যাটের কানায় লেগে জমা পড়েছে প্রথম স্লিপে। এ নিয়ে সর্বশেষ ৫ ম্যাচে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হলেন লিটন। এর মধ্যে তিন ম্যাচেই বিদায় নিয়েছেন শূন্যতে!
লিটনের পর তিনে নামেন সাকিব আল হাসান। যার সর্বশেষ ওয়ানডেটি ছিল এই বছরের জানুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। সতর্ক ব্যাটিংয়ে তামিমকে সঙ্গ দিলেও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি এই অলরাউন্ডার। অফ স্পিনার গুনাথিলাকার বলে ক্যাচ উঠিয়ে দেন লং অনে। সেটি লুফে নিতে ভুল করেননি নিসাঙ্কা। ৩৪ বল খেলা সাকিব ফিরেছেন ১৫ রানে।
ধীর গতির পিচে তামিম ধীরে-সুস্থে খেললেও অপরপ্রান্ত আগলে খেলছিলেন। মুশফিকের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি গড়ে এক পর্যায়ে ফিফটিও তুলে নেন। কিন্তু ইনিংস আর বেশি বড় করতে পারেননি। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার ঘূর্ণিতে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন তিনি। শুরুতে রিভিউ নিলেও লাভ হয়নি। তামিম ৭০ বল খেলে ফিরে যান ৫২ রানে।
অধিনায়কের বিদায়ের পর পর চাপটা আরও বাড়িয়ে দেন মোহাম্মদ মিঠুন। ধনাঞ্জয়ার পরের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে বিদায় নেন নিয়েছেন। রিভিউ নিয়েও কাজ হয়নি। মিঠুন ফিরেছেন গোল্ডেন ডাকে। এর ফলে দুটি রিভিউই নষ্ট হয়েছে স্বাগতিকদের। এর পর অভিজ্ঞ মুশফিক জুটি গড়েন আবার। সবচেয়ে বড় জুটিই গড়েছেন মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে। ১০৯ রানের জুটি ভাঙে মুশফিক রিভার্স সুইপ শটে ক্যাচ দিলে। সান্দাকানের বলে ৮৭ বলে ৮৪ রান করে ফিরেছেন মুশফিক। মাহমুদউল্লাহ ক্রিজে আছেন ৫৩ রানে। আফিফ ব্যাট করছেন ৪ রানে।