শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ের শুরুটা বাংলাদেশের ভালো ছিল না। দ্বিতীয় ওভারে দলীয় ১৫ রানেই সাজঘরে ফিরে যান গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান! খুব স্বাভাবিকভাবেই ভীষণ চাপে পড়ে যায় লাল-সবুজ জার্সীধারীরা। এমন দিনে তরুণ ক্রিকেটারদের নিজেদের প্রমাণের সুযোগ ছিল। কিন্তু হতাশ করেছেন তারা। বুক চিতিয়ে লড়বার সময় মুশফিক লিটন ও মোসাদ্দেককে সেই পরামর্শও দিয়েছিলেন। কিন্তু সফলকাম হতে পারেননি কেউই। মুশফিক তাই মনে করেন, লিটন-মোসাদ্দেককে পরিণত হতে হবে আরও।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ থেকেই রান খরায় ভুগছেন লিটন দাস। সর্বশেষ ৮ ইনিংসে সর্বোচ্চ বলতে ২৫ রান। মঙ্গলবার সম্ভাবনা দেখিয়েও ৪২ বলে আউট হয়েছেন ২৫ রানে। অন্যদিকে দুই বছর পর সুযোগ পেয়ে, সেটিও কাজে লাগাতে পারেননি মোসাদ্দেক। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ১২ বলে ১০ রান করে আউট হয়েছেন। তাদের মতো দলের প্রয়োজনের দিনে আফিফও ভূমিকা রাখতে পারেননি। ৯ বলে ১০ রান করে ফিরেছেন তিনি। সাইফউদ্দিন যদিও ৩০ বল খেলে ১১ রান করে মুশফিককে সঙ্গ দিয়েছেন।
কিন্তু সার্বিকভাবে দলের সিনিয়রদের ব্যর্থতার দিনে এখানে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ ছিল তরুণদের। এমনটাই মনে করেন মুশফিক, ‘তামিম, সাকিব বাংলাদেশের হয়ে সবসময় রান করে। দ্বিতীয় ম্যাচে তারা পারেনি। এক্ষেত্রে অন্য যারা ছিল লিটন, আফিফ, মোসাদ্দেকের জন্য দারুণ সুযোগ ছিল।’
সেভাবে সফল হতে না পারায় তরুণদের আরও ভালো করতে পরামর্শ দিয়েছেন মুশফিক, ‘ওরা (মোসাদ্দেক, আফিফ,লিটনরা) আরেকটু সিলেক্টিভ হলে ভালো ফলাফল করতে পারবে। এসব উইকেটে আরেকটু সিলেক্টিভ হতে হয়। কখন লো রিস্ক, কখন হাই রিস্কে খেলবে- তা জানতে হবে।’
মুশফিক অবশ্য আশা করছেন, খুব দ্রতই তারা দলে অবদান রাখতে পারবেন, ‘আমি আশা করি তারা আরও পরিণত হবে। খুব খুশি হবো যদি তাড়াতাড়ি এখান থেকে ওরা শিক্ষা নিতে পারে। নাহলে দেখা যাবে সব প্রেশার আমাদের (সিনিয়ারদের) ওপর চলে আসে, তখন আসলে কঠিন হয়ে যায়। আমি মনে করি ওরা দ্রুতই অবদান রাখা শুরু করবে। আর সেটা হলে আমরা স্পেশালি ওয়ানডেতে আরও ভালো দল হবো।