শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হার পয়েন্ট টেবিলে কতটা প্রভাব ফেলবে?

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল বাংলাদেশের জন্য। তামিমরা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পূর্ণ ৩০ পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই সিরিজ শুরু করেছিল। ২০২৩ বিশ্বকাপ খেলতে হলে ওয়ানডে সুপার লিগে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ সাতে থাকতে হবে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের। লঙ্কানদের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডের পরাজয়ে ১০ পয়েন্ট হারালেও এখন পর্যন্ত শীর্ষেই আছে বাংলাদেশ। তবে আগামী দুই বছর দেশের বাইরে বেশিরভাগ ম্যাচ বলেই রয়ে গেছে উদ্বেগ!

দেশের বাইরে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স বরাবরই হতাশাজনক। এমন অবস্থায় ঠিক কত পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারবে, সেটি নিয়ে সংশয় থেকেই যায়! জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে চারটি সিরিজ খেলতে হবে দেশের বাইরে। আর হোম ভেন্যুতে আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ রয়েছে। সবমিলিয়ে তাই আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগে পয়েন্ট তুলে নেওয়াটা বেশ কঠিনই লাল-সবুজ জার্সীধারীদের জন্য।

আগামী জুন-জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে তাদের মাটিতে তিনটি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিন ম্যাচেই পয়েন্ট পাওয়া যাবে কিনা, সেটি নিয়ে সংশয় রয়েছেই! এর পর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে বাংলাদেশে আসার সূচি রয়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের। ফলে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে নিশ্চিত ভাবেই কিছু পয়েন্ট হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২০২২ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু হবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে তিন ওয়ানডে। যা বিশ্বকাপ সুপার লিগের অন্তর্ভুক্ত। তার পর মার্চ-এপ্রিলে বাংলাদেশ যাবে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। সেখানে আছে তিনটি ওয়ানডে। ওই সিরিজ শেষেই শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে বাংলাদেশ। ওখানেও ওয়ানডে সুপার লিগের তিনটি ওয়ানডে রয়েছে। সর্বশেষ তারা আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজ খেলবে।

সবমিলিয়ে তাই ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ খুব একটা নেই। দেশের বাইরে ম্যাচের সংখ্যা বেশি হওয়াতে বাংলাদেশের চেয়ে প্রতিপক্ষের সুযোগটাই বেশি। হয়তো লঙ্কানদের বিপক্ষে হারানো এই দশ পয়েন্টই তখন ব্যবধান গড়ে দেবে!