১২০ রান করতেই ঘাম ঝরলো তামিমদের

তামিম ইকবাল ফিরে যেতেই প্রাইম ব্যাংকের ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয়। ১৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে হারতে বসা প্রাইম ব্যাংককে জয়ের স্বাদ দিয়েছেন রাকিবুল হাসান-নাঈম হাসানের অষ্টম উইকেটের জুটি। তাদের অবিচ্ছিন্ন ৩১ রানের জুটির ওপর ভর করে ১৯.৩ ওভারে প্রাইম ব্যাংক ৩ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে শাইনপুকুরের বিপক্ষে।

শাইনপুকুরের দেওয়া ১২০ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৯ রানে এনামুলকে হারিয়ে বিপদে পড়ে প্রাইম ব্যাংক। রনি তালুকদারকে সঙ্গে নিয়ে তামিম ৫২ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু ভুল বোঝাবুঝিতে সুমন খানের থ্রোতে রান আউট হন তামিম। ২৭ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৩২ রানের ইনিংস খেলেন তামিম।

এই ওপেনারের বিদায়ের পর ১৪ রান তুলতে ৫ উইকেট হারায় প্রাইম ব্যাংক। অষ্টম উইকেটে রাকিবুল হাসান ও নাঈম হাসানের দৃঢ়তায় ৭ উইকেট হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পায় তামিমরা। রাকিবুল ৩৪ বলে ১ চারে ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া নাঈম ১৬ বলে ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

শাইনপুকুরের তানভীর ইসলাম ১২ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন। সুমন খান ও হাসান মুরাদ নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া শাইনপুকুর নাঈম হাসান ও মনির হোসেনের বোলিংয়ের সামনে ১১৯ রানে থেমে যায়। ওপেনার সাব্বির আক্রমণাত্মক শুরু করেছিলেন। কিন্তু নাহিদুলের ঘূর্ণির কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয় সাব্বিরকে। ১৪ বলে ২ চার ১ ছক্কায় সাব্বির আউট হয় ১৫ রানে। এদিকে আগের ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও স্লো ব্যাটিং করেছেন যুব বিশ্বকাপজয়ী ব্যাটসম্যান তানজিদ হাসান। ‘জুনিয়র তামিম’ খেলছেন ২৮ বলে ২১ রানের ইনিংস।

শাইনপুকুরের সর্বোচ্চ রান এসেছে অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয়ের ব্যাট থেকে। ২৫ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় হৃদয় ২৯ রানের ইনিংস খেলে মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন। লেট অর্ডারে রবিউল হক ১৩ বলে ১৬ রান করলে শাইনপুকুর নির্ধারিত ২০ ওভারে ১১৯ রানে অলআউট হয়।

প্রাইম ব্যাংকের অফ স্পিনার নাঈম ২৪ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন। ১৫ রান খরচায় মনির হোসেন নিয়েছেন ২ উইকেট। এছাড়া নাহিদুল, মোস্তাফিজ, শরিফুল নিয়েছেন একটি করে উইকেট।