প্রথম ম্যাচে ৭৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে ঢাকা লিগে ভালো করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যুব বিশ্বকাপজয়ী মাহমুদুল হাসান জয়। এবার ওই ইনিংসকেও ছাড়িয়ে গেলেন তিনি, মাহমুদউল্লাহ-সৌম্যদের নিয়ে গড়া গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে খেললেন অপরাজিত ৮৫ রানের ইনিংস। যদিও বৃথা গেছে ইনিংসটি। তার দল ওল্ড ডিওএইচএস ৬ উইকেটে হেরেছে গাজী গ্রুপের কাছে।
জয়ের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে ডিওএইচএস নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৬ রান করে। এই লক্ষ্য ৬ বল আগে ৪ উইকেট হারিয়ে টপকে যায় গাজী গ্রুপ। প্রতিপক্ষের এমন জয়ে ম্লান হয়ে গেছে চাঁদপুর থেকে উঠে আসা তরুণ এই ক্রিকেটারের দারুণ ইনিংসটি। অবশ্য দল হারলেও ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন জয়। ৫৫ বলে খেলা ৮৫ রানের ইনিংসে তিনি মেরেছেন ৭ ছক্কা।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ডিওএইচএসের দেওয়া ১৩৭ রানের জবাবে শুরুতে মেহেদী হাসানকে (২২) হারালেও সমস্যায় পড়তে হয়নি গাজী গ্রুপকে। সৌম্য সরকার ও মুমিনুল হক মিলে দ্বিতীয় উইকেটে দলের স্কোরকে নিয়ে যান ৯১ রানে। আগের দুই ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি পাওয়া সৌম্য সেই পথেই হাঁটছিলেন। কিন্তু যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল হাসানের ঘূর্ণিতে স্টাম্পিং হন সৌম্য। আউট হওয়ার আগে ৩৫ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন।
তার আগে অবশ্য মুমিনুল ২৭ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন। আর জয় থেকে সামান্য দূরে থাকতে আউট হয়েছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ (১৯)। শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মাহমুদউল্লাহরা। ইয়াসির আলী (২৪*) ও জাকির হাসান (০*) শেষ করেছেন খেলা।
ডিওএইচএসের বোলারদের মধ্যে রাকিবুল ২১ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া হামিদুল ও আলিস নিয়েছেন একটি করে উইকেট।
এর ব্যাট হাতে ডিওএইচএসের জয় ছাড়া কেউই ভালো করতে পারেননি। চাঁদপুরের এই ক্রিকেটার টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছেন। তার ৮৫ রানের কল্যাণে লড়াই করার মতো স্কোর পায় ডিওএইচএস। জয় ছাড়া মাত্র দুই ব্যাটসম্যান আলিস আল ইসলাম (১৫*) ও প্রীতম ঘোষ (১১) দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পেরেছেন। জয় ৫৫ বলে ৩ চার ও ৭ ছক্কায় ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি খেলেছেন তিনি। এর আগে লিগের প্রথম ম্যাচে লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে অপরাজিত ৭৮ রানের ইনিংস এসেছিল তার ব্যাট থেকে।
গাজী গ্রুপের নাসুম আহমেদ ১০ রান খরচ করে ২ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া মহিউদ্দিন, মুকিদুল, মুমিনুল ও মাহমুদউল্লাহ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।