১৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে রাসেলদের কাছে অস্ট্রেলিয়ার হার

জশ হ্যাজেলউড ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে নিলেন ৩ উইকেট। মিচেল মার্শ ব্যাট-বলে রাখলেন সমান অবদান। বোলিংয়ে ২৬ রানে ২ উইকেটের পর ব্যাটিংয়ে ৫১ রান। সেন্ট লুসিয়ার প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার পারফরম্যান্সে এই দুটো নামই কেবল আসবে। বাকি সবাই ব্যর্থ, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। ১৯ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচটাও হেরেছে সফরকারীরা। বিপরীতে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৮ রানের জয়ে সিরিজ শুরু করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামের ম্যাচটিতে ছিল বোলারদের দাপট। দুর্দান্ত ব্যাটিং লাইনআপ থাকার পরও ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে করতে পারে ১৪৫ রান। তুলনামূলক সহজ লক্ষ্য হলেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৬ ওভারে ১২৭ রানে অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ জয় দিয়ে শুরু করে ১-০তে এগিয়ে গেলো ক্যারিবিয়ানরা।

স্বাগতিকদের এই জয়ের নায়ক দুই বোলার ওবেড ম্যাককয় ও হেইডেন ওয়ালশ। তাদের চমৎকার পারফরম্যান্সে অস্ট্রেলিয়া কুপোকাত। সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দিতে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা ম্যাককয় ৪ ওভারে ২৬ রানে নেন ৪ উইকেট। আর লেগ স্পিনার ওয়ালশ ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। অবদান রেখেছেন ফ্যাবিয়েন অ্যালেন ২৪ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়ে।

ক্যারিবীয় বোলারদের সমন্বিত পারফরম্যান্সে মিচেল মার্শ ও ম্যাথু ওয়েড ছাড়া কেউই সুবিধা করতে পারেননি। অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ১৪ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৩ রান করা ওয়েডের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ। তারপরও আশা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন মার্শ। কিন্তু তিনি ৩১ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৫১ রান করে আউট হয়ে যাওয়ার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ। ১৯ রান তুলতে হারায় শেষ ৬ ব্যাটসম্যান।

এর আগে হ্যাজেলউডের তোপের সামনে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। এভিন লুইস (০) ও ক্রিস গেইল (৪) পুরোপুরি ব্যর্থ। শিমরন হেটমায়ার (২০) ও নিকোলাস পুরানও (১৭) যেতে পারেননি বেশিদূর। তাদের ব্যর্থতার মাঝে আলো ছড়িয়েছেন আন্দ্রে রাসেল। এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যানের ২৮ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ৫ ছক্কায় খেলা ৫১ রানে লড়াই করার মতো স্কোর পায় ক্যারিবিয়ানরা। শেষ পর্যন্ত ১৪৫ রান করেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে স্বাগতিকরা।