পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী ২৪ আগস্ট বাংলাদেশ সফরে আসবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। সিরিজ শুরু হবে ১ সেপ্টেম্বর। দলের সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় এসেছে নিউজিল্যান্ডের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।
তবে আজ থেকেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাচ্ছেন না কিউই প্রতিনিধিরা। তিনদিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকার পরই তারা পর্যবেক্ষণ শুরু করতে পারবেন। এ ব্যাপারে প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘আজই তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসেছে, তারা তিনদিন রুম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। তারপরই তারা কাজগুলো শুরু করতে পারবেন।’
কীভাবে করবেন এমন প্রশ্নে বিসিবির এই চিকিৎসক বলেছেন, ‘পর্যবেক্ষণের প্রক্রিয়াটা সহজ নয়। কেননা মিরপুর স্টেডিয়াম আমরা এখনো জৈব সুরক্ষা বলয়ে আনিনি। অনেকেই মাঠে আসা যাওয়া করছেন। এই অবস্থায় মাঠে তাদের নিয়ে আসাটা ঝুঁকির। তারপরও দেখি আলোচনা করে কোন পথ বের করা যায় কিনা।’
কিউইদের পর্যবেক্ষক দলে আছেন টিম ম্যাজেনার মাইক স্যান্ডল, কোভিড কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু লাভ ও সিকিউরিটি ম্যানেজার টেরি মিনিশ। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা পৌঁছেই সরাসরি হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে চলে গেছেন তারা।
এদিকে ২৪ আগস্ট কিউই দলের ঢাকা আসার কথা থাকলেও তার চারদিন আগেই দুই ক্রিকেটার ফিন অ্যালেন ও কলিন ডি গ্রান্ডহোম বাংলাদেশে চলে আসবেন। তারা এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডে দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টে খেলছেন। দেশে ফিরে কোয়ারেন্টিন করে দলের সঙ্গে বাংলাদেশে আসার সুযোগ নেই তাদের। এ কারণে সরাসরি ঢাকা চলে আসবেন তারা।
নিউজিল্যান্ডের জৈব সুরক্ষা বলয় কেমন হবে- এই প্রশ্নে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘ব্যবস্থাপনার দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড দুই দলই প্রায় একই ঘরানার। তাই তাদের চাহিদা হলো অস্ট্রেলিয়াকে যে ধরনের বায়ো-বাবল পরিবেশ দেওয়া হয়েছিল, তাদেরও সেটি দেওয়ার জন্য বারবার বলছে। আমরাও চেষ্টা করছি, একই রকমের বায়ো-বাবল পরিবেশ রাখতে। এটা শুধু অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ড দলেরই না, আমাদের দলের ক্ষেত্রেও নিরাপদ থাকার ব্যাপার রয়েছে।’
পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি মাঠে গড়াবে ১ সেপ্টেম্বর। পরের চারটি ম্যাচ যথাক্রমে ৩, ৫, ৮ ও ১০ সেপ্টেম্বর। সব ম্যাচ হবে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে। মিরপুরে দুই দল একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি খেলেছে। যেখানে শেষ হাসি হেসেছিল কিউইরা।