বাংলাদেশের কন্ডিশনে নাকাচি-চুবানি খেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার পেসাররা। সেই একই কন্ডিশনে কীভাবে ভালো বোলিং করতে হবে, তার রসদ খুঁজে পেয়েছেন বলে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, নিউজিল্যান্ডের তরুণ পেসার বেন সিয়ার্স।
যুব দলের হয়ে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন এই তরুণ। ৫ বছর পর যখন আবার এলেন, তখন কিন্তু জাতীয় দলের সঙ্গী। তাই এবারের চ্যালেঞ্জটা তার কাছে ভিন্ন। সেটি উতরে যেতে উপায়ও খুঁজে পেয়েছেন বলে জানালেন তিনি, ‘আমি গতি তুলতে পছন্দ করি। কিন্তু এখানকার কন্ডিশন ভিন্ন। এজন্য স্মার্ট হতে হবে। নেটে বোলিং করে বুঝলাম দ্রুতগতির বলে ব্যাটসম্যানরা চড়াও হতে পারে। এজন্য বৈচিত্র্য থাকতে হবে। মনে হচ্ছে অফ কাটারে সফল হওয়া যাবে।’
যদিও বাংলাদেশের কন্ডিশনকে ভিন্ন জগতের কন্ডিশন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সিয়ার্স, ‘এখানে সব কিছুই আলাদা। ঘরের মাঠের মতো নয়। মনে হচ্ছে ভিন্ন জগতে আছি।’
শীত প্রধান দেশের কিউইরা বাংলাদেশের গরমে ভীষণ অস্বস্তির মধ্যে আছেন। তবে অনুশীলনে সেটি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানালেন কিউই এই ক্রিকেটার, ‘প্রচুর গরম এখানে। এই প্রথম ট্রেনিংয়ে এতটা উত্তাপ টের পেয়েছি। এখন মানিয়ে নিচ্ছি এবং অস্বস্তিকর অবস্থায় কীভাবে বোলিং করতে হবে সেটা শিখছি।’