ঘূর্ণিঝড় শাহীনের কারণে ওমানে যাওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশ দলের। তবে সব সংকট কাটিয়ে মাহমুদউল্লাহরা এক ঘণ্টা পিছিয়ে ১১টা ৪৫ মিনিটে ওমানের উদ্দেশে উড়াল দেবে। রবিবার (৩ অক্টোবর) বিমানে ওঠার আগে বিশ্বকাপকে ঘিরে প্রত্যাশার কথা শুনিয়ে গেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
মাহমুদউল্লাহ মনে করেন. দল হিসেবে এই বিশ্বকাপে ভালো কিছু সম্ভব। বলেন, ‘সবাই আপনাদের কাছে দোয়া প্রার্থী। ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে মনে হয় দল হিসেবে ভালো একটি সুযোগ এই বিশ্বকাপে; যদি ইনশাআল্লাহ আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি, ধারাবাহিক থাকতে পারি। আমরা সর্বশেষ কয়েকটা সিরিজে যে রকম ক্রিকেট খেলেছি, ওরকম আত্মবিশ্বাস নিয়ে যদি খেলতে পারি; তাহলে ভালো কিছু অর্জন সম্ভব।’
আগের বিশ্বকাপগুলোতে প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি বাংলাদেশ। মুশফিক-সাকিব-মাহমুদউল্লাহদের ঘিরে এবারও প্রত্যাশা খানিকটা বেশিই। যদিও মাহমুদউল্লাহ জানালেন প্রত্যাশার চাপে তারা ভেঙে পড়তে চান না। জানান, ‘আমার মনে হয় যে প্রত্যাশা তো থাকবেই; সবমিলিয়ে দলের, খেলোয়াড়দের, দেশবাসীর। কিন্তু এই প্রত্যাশাগুলো আমরা তখনই পূরণ করতে পারবো যখন নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী নামের প্রতি সুবিচার করতে পারব। সেটার জন্য গ্রুপ পর্বের যে ম্যাচগুলো (বাছাই পর্ব) আছে, ধাপে ধাপে আমাদের এগোতে হবে।’
২০০৭ সালের প্রথম বিশ্বকাপে বড় দলকে হারাতে পেরেছিল বাংলাদেশ। এরপর আরও ছয়টি বিশ্বকাপ খেললেও খালি হাতেই কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপ শেষ করতে হয়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের। আসন্ন বিশ্বকাপে নিজেদের লক্ষের কথা জানাতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘যদি আমরা ভালো ক্রিকেট খেলে বাছাই পর্বের ম্যাচগুলো জিতে মূল পর্বে যাই, তাহলে চেষ্টা করবো যত বেশি ম্যাচ জেতা যায়। যেহেতু পূর্ববর্তী বিশ্বকাপগুলোয় আমাদের খুব একটা সুখকর স্মৃতি নেই, তাই চেষ্টা করে সেই দেয়াল (ভালো করতে না পারা) ভাঙতে পারি।’