রিজওয়ান-ফখরের ব্যাটে লক্ষ্যের পথে পাকিস্তান

শুরুতেই উইকেট এনে দিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। ১০৮ রানের সংগ্রহ নিয়েও তাই লড়াই করার একটা আভাস মিলেছিল। কিন্তু মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ফখর জামান দাঁড়িয়ে যান। এই জুটি ভাঙতেই পারছে না বাংলাদেশ। তাদের ব্যাটে লক্ষ্যের পথে এগিয়ে চলেছে পাকিস্তান।

আজ (শনিবার) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের ১০৮ রানের জবাবে পাকিস্তানের স্কোর ১৩ ওভারে ১ উইকেটে ৭৫ রান।

মোস্তাফিজের বলে বোল্ড বাবর

আগের ম্যাচে তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে ফিরেছিলেন বাবর আজম। বোলারের নাম পাল্টালেও আউট হলেন একইভাবে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বোল্ড হয়ে গেছে পাকিস্তান অধিনায়ক।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাটে রানের বৃষ্টি ঝরিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন বাবর। তবে মিরপুরে খেলা দুই ম্যাচেই ব্যর্থ এই ব্যাটার। তাসকিনের বলে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটে বল লাগিয়ে বোল্ড হয়েছিলেন। আজও ব্যাট দিয়ে বল টেনে স্টাম্পে লাগিয়েছেন। অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৫ বলে মাত্র ১ রান করেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

ব্যাটিংয়ে আরও অবনতি বাংলাদেশের

উন্নতি হবে কী, তা নয়, উল্টো আরও অবনতি! পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আবারও ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে তবু ১২৭ করতে পেরেছিল, আজ (শনিবার) ওই পর্যন্তও যাওয়া হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করতে পেরেছে ১০৮ রান।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বোলারদের সামনে মোটেও সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপ বাড়িয়েছে। দুই ওপেনারের ব্যর্থতার পরও বড় স্কোরের সম্ভাবনা উঁকি দিয়েছিল নাজমুল হোসেন শান্ত ও আফিফ হোসেনের ব্যাটে। কিন্তু আফিফের বিদায়ের পর সব এলোমেলো। তাই মাত্র ১০৮ রানের বেশি স্কোরে ওঠেনি।

সর্বোচ্চ ৪০ রান শান্তর। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করেছেন আফিফ। মাহমুদউল্লাহ ১২ ও নুরুল হাসান সোহান ১১- এই হলো দুই অঙ্কের ঘরে যাওয়া স্কোরগুলো। এছাড়া পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন দুই ওপেনার নাঈম শেখ (২) ও সাইফ হাসান (০)।

পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার শাহীন আফ্রিদি। বাঁহাতি পেসার ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। তার সমান উইকেট নিতে শাদাব খানের খরচ ২২ রান। আর একটি করে উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ ওয়াসিম, হারিস রউফ ও মোহাম্মদ নওয়াজ।