আবিদ-আব্দুল্লাহর ব্যাটে এগিয়ে চলেছে পাকিস্তান

উইকেটের খোঁজে বাংলাদেশ। কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এসেও যেতো যদি রিভিউ নিতো! তাইজুল ইসলামের বলে জোরালো আবেদন উঠেছিল, কিন্তু প্রথমে ব্যাটে আঘাত করেছে ভেবেই হয়তো রিভিউ নেয়নি বাংলাদেশ। যদিও রিপ্লেতে দেখা যায় আব্দুল্লাহ শফিকের প্যাডে আগে আঘাত করেছে লাইনে থাকা বল। তাই বাংলাদেশের উইকেট পাওয়া হয়নি, সমান্তরালে দুই ওপেনার আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহর ব্যাটে দারুণভাবে এগিয়ে চলেছে পাকিস্তান।

আজ (শনিবার) চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান। বাংলাদেশকে ৩৩০ রানে অলআউট করে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা সফরকারীরা ২২ ওভারে উইকেট না হারিয়ে করেছে ৫৩ রান।

বাংলাদেশের ৩৩০

প্রথম দিনের দুই সেশন যেভাবে কেটেছিল, তাতে দারুণ কিছুর পূর্বাভাস ছিল দ্বিতীয় দিনে। কিন্তু ঘটলো ঠিক উল্টোটা। লাঞ্চের আগেই অলআউট বাংলাদেশ! দ্বিতীয় দিনে ৭৭ রান যোগ করতে হারিয়েছে শেষ ৬ উইকেট। ফলে প্রথম ইনিংসে মুমিনুল হকরা অলআউট হয়েছে ৩৩০ রানে।

দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেই গুটিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। এরপরই লাঞ্চ বিরতিতে গেছে দুই দল। দিনের দ্বিতীয় ওভারে ১১৪ লিটন দাসের বিদায়ের পর আর জুটি গড়া হয়নি। মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরির পথে হাঁটলেও আউট হয়েছেন ৯১ রানে। ইয়াসির আলী (৪) স্মরণীয় করতে পারেননি অভিষেক ইনিংস। যদিও দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে সঙ্গীর অভাবে আসলে তার কিছুই করার ছিল না। এই ব্যাটার ৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। তাইজুল ইসলাম ১১ ও আবু জায়েদ রাহী ৮ রান করেছেন। আর এবাদত হোসেন প্রথম বলেই আউট হয়ে যাওয়ায় শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।

দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই বাংলাদেশকে চেপে ধরেছিলেন হাসান আলী। পাকিস্তানি এই পেসার টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবার পেয়েছেন ৫ উইকেটের দেখা। ‍২০.৪ ওভারে ৫১ রান দিয়ে বাংলাদেশের পাঁচ ব্যাটারকে আউট করেছেন। ফাহিম আশরাফ ৫৪ রান খরচায় পেয়েছেন ২ উইকেট। তার সমান উইকেট নিতে শাহীন আফ্রিদি দিয়েছেন ৭০ রান। আর ৭৯ রানে একটি উইকেট নিয়েছেন সাজিদ খান।