শুক্রবার খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মাশরাফির প্রথম ওভারেই ফিরে যান ওপেনার ভুসি সিবান্দা। পঞ্চম বলে সাকিবকে ক্যাচ দিয়ে এই ব্যাটসম্যান ফেরেন ৪ রানে। এরপর ব্যাটে জিম্বাবুয়েকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন মুতুম্বামি ও মাসাকাদজা। এই জুটিতে আসে ৮০ রান। ১১তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন রনি। ৩২ রানে ব্যাট করতে থাকা মুতুম্বামিকে বোল্ড করেন তিনি।
এরপর ফের ওয়ালারকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৬১ রানের জুটি গড়েন মাসাকাদজা। এর মধ্য দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের দশম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মাসাকাদজা। তবে দলীয় ১৪৫ রানে এই জুটি ভাঙেন তাসকিন। ওয়ালারকে বোল্ড করেন তিনি। এরপর অবশ্য সিকান্দার রাজাকে আউট করেন সাকিব আল হাসান। হ্যামিল্টন মাসাকাদজা শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ার সেরা ৯৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। তার ৫৮ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৫টি ছয়। অধিনায়ক চিগুম্বুরা অপরাজিত ছিলেন ৫ রানে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮০ রান তুলতে পারে সফরকারীরা।
আগের ম্যাচ থেকে বাংলাদেশ দলে ৩টি পরিবর্তন এসেছে। আগের ম্যাচে বসে থাকা ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল ফিরেছেন একাদশে। এছাড়া দলে সুযোগ পেয়েছেন ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ ও বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানি। বাদ পড়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ শহীদ ও মুক্তার আলী অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে দলেও রয়েছে ৩টি পরিবর্তন।
এর আগে বুধবার সিরিজের তৃতীয় ম্যাচটি ৩১ রানে হারে বাংলাদেশ। যার কারণে সিরিজ জিততে এই ম্যাচটি জিততেই হবে স্বাগতিকদের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশ তাদের পঞ্চমতম ম্যাচে মাঠে নামবে।
২০০৬ সালে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়ে ছিল বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এখন দেখার বিষয় পঞ্চামতম ম্যাচে এসে একই দলের বিপক্ষে কী ফল করে স্বাগতিকরা।
/আরআই/এফআইআর/