ফলোঅনে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে ফলোঅন এড়াতে পারলো না বাংলাদেশ। পঞ্চম ও শেষ দিনে খেলতে নেমে বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেছে ৮৭ রানেই!

ফলোঅন এড়াতে ১০১ রান করলেই হতো। কিন্তু দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের শেষ দিনের সকালটা শুরু হয় লক্ষ্যহীন ব্যাটিংয়ে। তাইজুল, খালেদের পর সাজঘরে ফিরে যান সাকিব আল হাসানও! প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান হিসেবে টিকে থাকার বিন্দুমাত্র দৃঢ়তা দেখাতে পারেননি সাকিব।   

সকালে শাহীনের প্রথম ওভারের পর দ্বিতীয় ওভারে আসেন সাজিদ খান। গতকাল যার স্পিন বিষে নীল হওয়া, সেই স্পিনারই সাজঘরে পাঠালেন তাইজুলকে। সাজিদের ঘূর্ণিতে লেগবিফোরের আবেদন উঠলে অনফিল্ড আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন। পরে রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি।

পরের ওভারে নতুন নামা খালেদ আহমেদও ফিরেছেন রানের খাতা না খুলে। শাহীনের ইয়র্কার লেন্থের বলে বোল্ড হন এই পেসার। সাকিব অপরপ্রান্তে থাকলেও মেরে খেলায় বেশি মনোযোগী ছিলেন। শট খেলতে গিয়েই শর্ট কভারে ক্যাচ তুলে দেন। ফলাফল সাকিব ৫৪ বলে ৩৩ রানে ফিরতেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। এখন ২১৩ রানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅনে ব্যাট করতে নেমেছে স্বাগতিকরা। 

বৃষ্টিতে প্রায় দুদিন ভেসে যাওয়ার পর গতকালই জমে উঠে ঢাকা টেস্ট। মূলত বাংলাদেশের বাজে ব্যাটিংয়েই এই টেস্টে বাংলাদেশ ফলোঅনের মুখে! পাকিস্তান ৩০০ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণার পর শেষ বিকালে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিন ৭৬ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

আগের দিন ধৈর্য পরীক্ষায় শুরু থেকেই ব্যর্থ ছিল টপ অর্ডার। সাজিদের ঘূর্ণিতে খেই হারিয়ে ৭১ রানে ফিরেছেন ৭জন! অভিজ্ঞদের মধ্যে চট্টগ্রাম টেস্টে প্রতিরোধ গড়া মুশফিক-লিটন তো বাজে শটে ফিরেছেন। মুশফিক করেন ৫ আর লিটন ৬ রান। অধিনায়ক মুমিনুল অবশ্য দুর্ভাগ্যজনকভাবে রানআউটের শিকার হয়েছেন। 

ঘূর্ণিজাদুতে দুদিনে সাজিদ খান ৪২ রানে নিয়েছেন ৮ উইকেট! যা টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে কারও সেরা বোলিং। একটি নেন শাহীন আফ্রিদি।