মুমিনুলদের নিয়ে আশান্বিত ব্যাটিং কোচ

গত ২০ বছরে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ৩২টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সাফল্য পায়নি একটিও। হার ছিল সব ফরম্যাটেই! বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর দলের অবস্থা এমনিতেই নাজুক। তার ওপর পাকিস্তানের বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্স তো আছেই। সবমিলিয়ে নতুন বছরে বাংলাদেশ কেমন করবে, সেটিই বড় প্রশ্ন। কারণ, কিউই কন্ডিশনে বরাবরই বাংলাদেশের ব্যাটারদের কঠিন সংগ্রামের মুখে পড়তে হয়েছে। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও স্বস্তি দিতে পারছে না! তবে ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স ব্যাটারদের নিয়ে আশার কথাই শোনালেন।

১১ দিন কোয়েন্টিনে থাকার পর বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। দু’দিনের অনুশীলনে ব্যাটারদের দেখে সন্তুষ্ট বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ। ভিডিও বার্তায় প্রিন্স বলেছেন, ‘আমাকে বলতেই হবে ব্যাটসম্যানদের খুব ভালো মনে হচ্ছে। আমার মনে হয়, ব্যাটসম্যানরা নিউজিল্যান্ডে ব্যাটিং উপভোগ করবে। এই ইউনিভার্সিটি মাঠে অনুশীলন পিচগুলো খুবই ভালো। বাউন্স খুবই সমান। ছেলেরা এই স্বস্তি পাচ্ছে যে, নিউজিল্যান্ডের বাউন্সে ভরসা রাখা যায়। হ্যাঁ, কিছুটা সিম মুভমেন্ট থাকবে। তবে সেটা তো প্রত্যাশিতই।’

লম্বা বিরতির পর গত দুই দিনে সহজাত ব্যাটিংটা করতে পেরেছে ব্যাটাররা। তবে পেস বোলররা ধীরে ধীরে গতি ও রান আপ বাড়াচ্ছে। তাসকিন-শরিফুলরা পুরো রিদম নিয়ে বোলিং করতে পারেননি। প্রিন্স জানালেন, ‘এখন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডে দিন দুয়েকের অনুশীলন হয়েছে। বাইরে আসতে পারাটা অবশ্যই দারুণ। বোলাররা ধীরে-সুস্থে এগিয়ে চলেছে। ব্যাটসম্যানরা জোরেশোরেই অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমাদের কয়েকটি ভালো সেশন হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের কয়েকজন নেট বোলারকে পেয়েছি। অনেকে স্টিক (আর্ম থ্রোয়ার) নিয়েও ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে কাজ করছি।’

নতুন বছরের প্রথম দিন মাউন্ট মঙ্গানুইতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টের আগে সফরকারীরা আরও এক সপ্তাহের মতো অনুশীলনের সুযোগ পাচ্ছে। বাকি অনুশীলন সেশনে সেরা প্রস্তুতি নেওয়া যাবে বলে মনে করেন বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ, ‘এখন পর্যন্ত সবকিছু ভালো। কেবলই শুরু হলো, প্রথম টেস্টের আগে আরও ৭-৮ দিন আছে। আস্তে আস্তে আমরা উন্নতি করতে পারবো। প্রথম টেস্ট যখন শুরু হবে, আশা করি সময়মতো ভালো অবস্থানে পৌঁছাতে পারবো।’