ময়মনসিংহের গলগন্ডা কাঠগোলা বাজার এলাকায় দিনমজুর বাবার ঘরে তার জন্ম। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় এরকম পরিবারের সন্তানদের ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখা একটু বাড়াবাড়িই। তিন বছর বয়সী মোহাম্মদ ফাহিমের কি আর ওই বাস্তবতা বোঝার অবস্থা ছিল! ওই বয়সেই ক্রিকেটপ্রেমে মজে যায় ছোট্ট ছেলেটি। ২২ গজে আঁকতে থাকে ভবিষ্যতের ছবি। যে ছবিতে জীবনযুদ্ধে অনেক বাঁক পেরিয়ে খুশির ডালিতে সাজানো কত উপলক্ষ। যার সবশেষটি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ দলের সঙ্গী হওয়ার বিশাল প্রাপ্তি।
সময়টা ২০০৬ সাল। ফাহিমের বয়স তখন তিন বছর। ওই বয়সেই ক্রিকেটপ্রেমে মজে গেলেন তিনি। প্লাস্টিকের বল আর ব্যাট হাতে এলাকার অলিগলিতে মেতে থাকতেন। সঙ্গী হিসেবে অবশ্য বড় ভাইকে সব সময়ই পেয়েছিলেন। একটু একটু করে বয়স বাড়ার সঙ্গে টিভিতে খেলা দেখে ক্রিকেটের আরও বড় ভক্ত হয়ে ওঠেন ফাহিম। দ্বিতীয় শ্রেণিতে উঠতেই টেপ টেনিস বলের সঙ্গে পরিচয় হয়ে যায়।
ক্রিকেট নিয়ে এতটাই মজে ছিলেন যে ক্লাস থ্রিতে উঠতেই স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেন। এজন্য বাবা-মায়ের হাতে বেদম মারও খেয়েছেন। প্রতি রাতে ভাতের সঙ্গে মার নিয়মিত হয়ে ওঠে ফাহিমের! তার ক্রিকেটপ্রীতি দেখে স্কুলের পিটি স্যার ও বড় ভাইয়ের বন্ধু মিলে ময়মনসিংহের একটি ক্রিকেটে অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করিয়ে দেন। ক্রিকেট খেলার সুযোগ পেয়ে ফের স্কুলে যাওয়া শুরু করেন ফাহিম। তবে স্কুলে গেলেও টিফিনের পর শিক্ষকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলে যেতেন মাঠে। একসময় বিরক্ত হয়ে শিক্ষকেরা তাকে স্কুল কামাইয়ের অনুমিতও দিয়ে দেন!
ক্রিকেট খেলার সরঞ্জাম অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়াতে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল ফাহিমকে। দিনমজুর বাবা আব্দুল মতিন চেয়েচিন্তে একজোড়া ছেঁড়া জুতা জোগার করে এনেছিলেন, সেটা আবার কয়েক সাইজ বড়! ওই জুতা জোড়া পরেই প্রথম অনুশীলনে নেমেছিলেন ফাহিম। সেই তিনিই এখন বিশ্বকাপ দলের অন্যতম সদস্য। সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুব এশিয়া কাপ শেষে বিশ্বমঞ্চে আলো ছড়ানোর অপেক্ষায়। এশিয়ার কাপের প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে রিটায়ার্ট হার্ট হওয়ার আগে খেলেছেন ৫৮ রানের ইনিংস।
অভাবের সঙ্গে নিত্য যুদ্ধ করা ফাহিমের জন্য ক্রিকেট নিয়ে স্বপ্ন দেখাটা ছিল বেমানান। কিন্তু নিজের স্বপ্নে অবিচল ছিলেন। শক্ত মনোবল নিয়ে সব বাধা পায়ের নিচে ঠেলে এগিয়ে গেছেন। লক্ষ্য, বড় ক্রিকেটার হয়ে বাবা-মা-ভাইদের মুখে হাসি ফোটানো।
বাংলা ট্রিবিউন: শুনেছি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে প্রচুর মার খেতে হয়েছে?
ফাহিম: তিন বছর বয়স থেকেই আসলে আমি খেলার মাঠে। বড় ভাইয়ের সঙ্গে অলিতে-গলিতে গিয়ে প্লাস্টিক বল দিয়ে আমার ক্রিকেটে হাতেখড়ি। এরপর একটু বড় হওয়ার পর টিভিতে নিয়মিত খেলা দেখতে পছন্দ করাতাম। ক্রিকেট সেভাবে না বুঝলেও খেলা দেখতাম। খেলার প্রতি এতটাই আগ্রহ ছিল যে পড়ালেখা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। প্রতিদিন সকালবেলা বাসা থেকে বেরিয়ে যেতাম, সারাদিন ক্রিকেট খেলে রাতে বাসায় ফিরতাম। ভাতের সঙ্গে মারও নিশ্চিত! কখনও কখনও ভাত না খেয়ে মার খেয়েই ঘুমিয়ে যেতাম। আব্বু-আম্মু, নয়তো ভাইয়া মারতো। পরের দিন আবার সেই একই কাহিনি। এভাবেই আসলে আমার দিন যেত।
বাংলা ট্রিবিউন: প্রথম দিনের অনুশীলনে নাকি বড় সাইজের ছেঁড়া জুতা পরে মাঠে নেমেছিলেন?
ফাহিম: হুম। আমি ক্রিকেট খেলা শুরু করি একজোড়া ছেঁড়া জুতা দিয়ে। আমার আব্বু একজনের বাসায় কাজ করতো, ওখান থেকে একজোড়া ছেঁড়া জুতা দিয়েছিল। সেটা দিয়েই আমি অনুশীলন শুরু করি। ওই জুতা জোড়া আবার আমার ৩-৪ সাইজ বড় হতো। আমি জুতার ভেতর কাপড়ের টুকরো ঢুকিয়ে এরপর অনুশীলন করেছি। আসলে খুব খারাপ পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই ক্রিকেটের পথ বেছে নিয়েছি।
বাংলা ট্রিবিউন: ক্রিকেট শুরুর দিনগুলো খুব কঠিন ছিল আপনার। সেই সময়ের কথা শুনতে চাই...
ফাহিম: আমি সকাল ৬টার দিকে বাসা থেকে বেরিয়ে যেতাম, অনুশীলন শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়িতে ফিরতাম। ওভাবেই আমার রুটিন ছিল। প্রতিদিন একই রুটিনে চলতো আমার জীবন। নিজের কাছে টাকা থাকলে দুপুরে কিনে খেতাম, নয়তো অলক দা, হান্নান স্যারের কাছ থেকে চেয়ে খেতাম। কখনও আবার না খেয়েও থাকতাম।
আমাকে রীতিমতো অভাবের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয়েছে। আমার বাড়ি থেকে ১০ টাকার অটো ভাড়া দূরত্বে অনুশীলন করতে যেতাম। এই রাস্তাটুকু অনেক সময় রানিং করতে করতে চলে যেতাম। আমার তো ব্যাট-বল-হেলমেট দূরে থাক, স্কুল ব্যাগই ছিল না। ওই সময় অলক দা আমাকে নানা জায়গা থেকে ব্যাট-হেলমেট-গ্লাভস ম্যানেজ করে দিতেন। মাঝে মাঝে অটোতে যেতাম, তখন হেলমেট মাথায় দিয়ে, গ্লাভস পরে ঠিক যেভাবে মাঠে নামি, সেভাবেই অটোতে উঠতাম। আবার হেঁটে গেলেও এভাবেই যেতাম। সবাই আমার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে হাসতো। খুব অস্বস্তি লাগতো। তবু এভাবেই আমাকে যুদ্ধটা করতে হয়েছে।
বাংলা ট্রিবিউন: ক্রিকেটের জন্য নাকি পড়ালেখা ছেড়ে দিয়েছিলেন?
ফাহিম: আসলে আমি সারা দিন ক্রিকেট খেলতাম, আর ঘোরাফেরা করতাম। এরপর আমার এলাকার মজিদ নামে এক বড় ভাই আছে, তিনি আর স্কুলের পিটি স্যার (আজিজুল হক) আব্বু-আম্মুকে বুঝিয়ে আমাকে ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করিয়ে দেন। আমিও বাসায় বলেছিলাম, আমাকে ক্রিকেট খেলতে দিলেই স্কুলে যাবো। ময়মনসিংহ ক্রিকেট কোচিংয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকে স্কুলে যাওয়া শুরু করি। স্কুলে যেতাম, কিন্তু নিয়মিত ক্লাস ফাঁকি দিতাম। ফোর-ফাইভে থাকতে টিফিনের পর সম্ভবত একদিন ক্লাস করেছিলাম। এতটাই পালিয়ে যেতাম, পরে স্যাররা আমাকে অনুমতি দিতে বাধ্য হয়েছিল। সিক্স থেকে এইট পর্যন্ত ক্লাসের কেউই আমাকে চিনতো না। আমিও কোনও স্যার-ম্যাডামকে চিনতাম না। কোনও ক্লাসই করিনি, কেবল পরীক্ষা দিয়েছি।
বাংলা ট্রিবিউন: অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হওয়ার পরের পথটাও তো সহজ ছিল না...
ফাহিম: ভর্তির সিদ্ধান্ত হওয়ার পর বড় ভাই মজিদ ও পিটি স্যার আজিজুল হক আমাকে সার্কিট হাউজ মাঠে নিয়ে যান। মজিদ ভাই আমার ভাইয়ের বন্ধু। আমার ভাইয়া আবার আমাদের হেড কোচ হাবিবুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে, যেন আমার ভর্তিটা ফ্রিতে করে দেয়। সবকিছুর পর আমি ময়মনসিংহ ক্রিকেট কোচিংয়ে (এমসিসি) ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই।
ভর্তি হওয়ার পরও টেনশনে ছিলাম। তবে সব টেনশন সমাধান করে দিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন ভাই (জাতীয় দলের ক্রিকেটার)। আমি কখনও চিন্তা করতে পারেনি আমি এতটুকু আসতে পারবো। কখনও ভাবিনি, চার হাজার টাকা দামের কিপিং গ্লাভস, এত দামি হেলমেট, এত দামি ব্যাট দিয়ে ব্যাটিং করতে পারবো। সবকিছুই সম্ভব হয়েছে মোসাদ্দেক ভাই, অলক দার কারণে। অলক দা আমাকে একদিন মোসাদ্দেক ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। পরিচয় হওয়ার পর থেকে মোসাদ্দেক ভাই আমাকে ক্রিকেটের নানা সরঞ্জাম দেওয়া শুরু করেন, এখন পর্যন্ত দিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলা ট্রিবিউন: শুনেছি ছোটবেলায় পেসার ছিলেন, উইকেটকিপার হয়ে উঠলেন কীভাবে?
ফাহিম: অনুশীলনে প্রথম যেদিন পেস বোলিং করি, দুই ব্যাটারকে ইনজুরিতে ফেলে দিয়েছিলাম। তখন কোচ এসে বলেন, তোমার পেস বোলিং করা লাগবে না। পরে আমার কাছ থেকে কোচ বল কেড়ে নিয়ে বলেন, ‘তোমার বল করতে হবে না, যাও তুমি।’ এরই মাঝে হান্নান স্যার আমাকে উইকেটকিপার বানিয়ে দেয়। আমি প্রাইমারি স্কুলে থাকতে গোলকিপার ছিলাম। ওই অভিজ্ঞতার কারণে কোচ আমাকে উইকেটকিপার হতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। উনি একদিন ডেকে বলেন, ‘তোর ভাইকে আমার সঙ্গে দেখা করতে বলিস।’ ভাইয়া দেখা করলো, তখন ভাইয়াকে বললেন, ‘ওকে একজোড়া কিপিং গ্লাভস কিনে দাও।’ ৩০০-৪০০ টাকা দিয়ে একজোড়া কিপিং গ্লাভস কিনে দেয় ভাইয়া। ওই কিপিং গ্লাভস দিয়ে আমার কিপিং ক্যারিয়ার শুরু হয়।
বাংলা ট্রিবিউন: ভারতে অনুষ্ঠিত তিন দলের সিরিজ ছাড়া আপনি কোনও সিরিজে ছিলেন না। তবু বিশ্বকাপ দলে। কতটা রোমাঞ্চিত ছিলেন?
ফাহিম: ২০১৫ সালে ময়মনসিংহে জেলায় অনূর্ধ্ব-১৪ খেলেছি, এরপর বিভাগে খেলেছি। পরের বছর আবার অনূর্ধ্ব-১৫-তে খেলার সুযোগ পেলেও ভালো করতে পারিনি। ফলে ২০১৭ সালে অনূর্ধ্ব-১৭-তে আমাকে আর ডাকা হয়নি। এরপর ২০১৮ সালে এক বড় ভাইয়ের (আরিফুল ইসলাম রবিন) মাধ্যমে ঢাকায় প্রথম বিভাগ ক্রিকেট খেলে ওখানে সাফল্য পাই। তিন ম্যাচ খেলে একটা হাফসেঞ্চুরি করেছিলাম। এরপর ২০১৯ সালে আমি প্রথম বিভাগ ক্রিকেট না খেলে অনূর্ধ্ব-১৮ হয়ে খেলি। ৪ ম্যাচে দুইশর মতো রান করি। এরপর বিভাগ থেকে যুব ক্রিকেট লিগে (ওয়াইসিএল) ডাক পাই। ওখানেও ভালো না করায় আবারও বাদ পড়ি।
তবে বাদ পড়লেও আমার টেকনিক, প্রসেস সম্পর্কে স্যাররা ভালো কিছুই জানতেন। অপি স্যার (মেহরাব হোসেন) আমাকে একদিন ফোনে বলছিলেন, ‘তোর কাগজপত্রগুলো ঠিক করে রাখিস, তোকে যেকোনও মুহূর্তে ডাকতে পারে।’ এরপর হুট করে একদিন ফোন পেয়ে মিরপুরে গেলাম। অনূর্ধ্ব-১৭ দলের সঙ্গে যৌথ একটা ক্যাম্প হলো। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাত জনকে নিয়ে। ওখান থেকে আমাকে মূল দলে ডাকলো। ম্যাচ তো হয়নি, তবে অনুশীলনে আমাকে পছন্দ করেন কোচরা। এরপর খুলনাতে গিয়ে কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেললাম। প্রথমটাতে করলাম ৩৯, পরের ম্যাচে ৭৫ বলে ৯৫ নটআউট।
এটা সত্যি আমি কোনও সিরিজেই ছিলাম না। তবে আমার ব্যাপারে কোচরা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। বিশেষ করে, শিপন ভাই আমার ওপর আস্থাটা বেশি রেখেছেন। আমি যখন অনূর্ধ্ব-১৫ ক্যাম্পে ছিলাম। ওই সময় থেকে আমার সম্পর্কে উনি সবকিছু জানেন। অপি স্যার আমাকে ওয়াইসিএলে দেখেছিলেন। স্যারও আমার সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা পেয়েছেন।
বাংলা ট্রিবিউন: ক্রিকেট শুরুর দিনগুলোতে বাবা-মায়ের সমর্থন পেয়েছেন?
ফাহিম: বাবা-মা-ভাই শুরু থেকেই আমার সাপোর্টে ছিলেন। কোচিং ভর্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত বকা, মার সবই খেয়েছি। তবু তারা আমার স্বপ্নপূরণ করতে সহায়তা করে গেছেন। একসময় তো ভাতের সঙ্গে মার খেয়েও ঘুমাতে হতো। এখন কিছু্ বলে না। আমার সবচেয়ে অনুপ্রেরণার জায়গা আমার বড় ভাই আবুল কাশেম। সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করতে বলেন। আমার মা কল্পনা আক্তার সবচেয়ে বেশি সাপোর্ট দিয়েছেন। আমি যত তাড়াতাড়ি পারি, সংসারের দায়িত্ব নিতে চাই। বাবাকে আর কষ্ট করতে দেবো না। যত তাড়াতাড়ি ভালো কিছু করবো, তত তাড়াতাড়ি আব্বুকে ওই পেশা থেকে বের করে আনতে পারবো।
বাংলা ট্রিবিউন: এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবনা কী?
ফাহিম: আমরা কিন্তু অনেকখানি এগিয়ে আছি এক জায়গা থেকে। আমাদের দলে বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা থাকা চার জন ক্রিকেটার আছেন। উনাদের অভিজ্ঞতাগুলো আমরা কাজে লাগাতে পারবো। এই বিষয়গুলো আমাদের হেল্প করছে। দলে সবার ভেতর আত্মবিশ্বাস আছে, আমরা আরেকবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশকে সম্মান এনে দিতে পারবো।
বাংলা ট্রিবিউন: কঠিন সংগ্রাম করে বিশ্বমঞ্চে আপনি, নিজের লক্ষ্য কী?
ফাহিম: অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ভারতেই প্রথম ম্যাচ খেলেছি। ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আমার কিছুটা কম। ভারতে ব্যাটিং অতটা ভালো করতে পারিনি, কিপিংটা অনেক ভালো হয়েছে। অবশ্যই চেষ্টা থাকবে দলে অবদান রাখার। তবে অন্তত একটি ম্যাচ আমি নিজে জেতাতে চাই, ম্যাচসেরার পুরস্কার নিতে চাই।
বাংলা ট্রিবিউন: বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে এশিয়া কাপ কতটা সাহায্য করতে পারে?
ফাহিম: অবশ্যই আমাদের হেল্প করতে পারে। আমাদের বিশ্বকাপের মূল প্রস্তুতিটা আসলে এখানেই নিতে হবে। যেহেতু আমরা ম্যাচ খেলার সুযোগ কম পেয়েছি। ওখানে চার-পাঁচটা ম্যাচ যা-ই পাবো, সেটি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবেই খেলবো। পাশাপাশি আমাদের লক্ষ্য এশিয়া কাপেও ভালো করা।
নাম: মোহাম্মদ ফাহিম
ডাক নাম: ফাহিম
জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৪
জন্মস্থান: ময়মনসিংহ
উচ্চতা: ৫ ফুট সাড়ে ৪ ইঞ্চি
পড়াশোনা: ক্লাস টেন
প্রথম ক্লাব: ময়মনসিংহ ক্রিকেট ক্লাব
বর্তমান ক্লাব: ওল্ড ডিওএইচএস
ব্যাটিং স্টাইল: ডানহাতি
প্রিয় শটস: স্ট্রাইকরোটেট করা
প্রিয় মানুষ: মা
প্রিয় ক্রিকেটার: মোসাদ্দেক হোসেন
ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত: ২০২০ সালে ময়মনসিংহ প্রিমিয়ার লিগে সেঞ্চুরি। ৫২ বলে প্রথম ৫০, পরের ৫০ করেন ১৩ বলে।