শুক্রবার শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসর। বৃহস্পতিবার শেষ দিনের মতো প্রস্তুতি সেরেছে দলগুলো। প্রতিটি দলই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে মিরপুরের একাডেমিতে অনুশীলন করেছে। ঢাকা এদিন রেঞ্জ হিটিংয়ে অনুশীলন সেড়েছে।
শুক্রবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিকের খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নামবে মাহমুদউল্লাহর মিনিস্টার ঢাকা। তাই ম্যাচের আগের দিনের অনুশীলনে ঢাকার ক্রিকেটারদের মারমুখী ব্যাটিংয়ে প্রস্তুতি সারতে দেখা গেছে। দুই পাশের উইকেটে তামিম-মাহমুদউল্লাহরা রেঞ্জ হিটিংয়ে প্রস্তুতি সেরেছেন।
তার পর ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ নিজেদের প্রস্তুতি নিয়েও কথা বলেছেন, ‘কমবেশি সবাই বল বাইরে পাঠিয়েছে (হাসি)। মুশফিক, সাকিব, তামিম সবাই পাঠিয়েছে। তবে হ্যাঁ, যেহেতু ৫-৬ এ ব্যাট করতে হয়, অনেক সময় রেঞ্জ হিটিংয়ের প্রয়োজন হয়; সেটাই আমরা প্র্যাকটিস করেছি।’
অবশ্য শুধু প্র্যাকটিস করলেই হতো হবে না। তার প্রয়োগও দেখাতে হবে হবে। তাই উদ্বোধনী দিনে ম্যাচের দিকে তাকিয়ে ঢাকার অধিনায়ক, ‘আমরা শুরুটা কেমন করি এটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটা দলই খুব ভারসাম্যপূর্ণ। ভালো শুরু পেলে টুর্নামেন্টে মোমেন্টাম পাবো। এখানে সব টিমই ফেভারিট।’
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টস ভাইটাল ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। মাহমুদউল্লাহ মনে করেন, ‘টস সবসময়ই একটা ফ্যাক্টর, কারণ উইকেটের কন্ডিশন। কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে পারলে বোঝা যায় কীভাবে খেলতে হবে। ভালো ক্রিকেট খেলা, ইতিবাচক থাকা জরুরী।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চেয়ে বিপিএলে অধিনায়ক হিসেবে বেশ সফল মাহমুদউল্লাহ। মোটামুটি মানের দল নিয়েও অবিশ্বাস্য নেতৃত্ব দেওয়ার নজির তার আছে। এবার তার দলে আছেন মাশরাফি-তামিমের মতো তারকা ক্রিকেটার। ফলে অধিনায়কত্বে বাড়তি সুবিধাই হওয়ার কথা। বিষয়টি তিনি কীভাবে দেখছেন? সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আগেও বলেছি, অধিনায়কের দায়িত্ব আমাকে ভালো খেলতে অনুপ্রাণিত করে। আমাদের দলটা তারকাবহুল, অনেক দায়িত্বও থাকবে। যখন খ্যাতি বেশি থাকে, তখন তা প্রমাণেরও বিষয় থাকে। এই জিনিসগুলো আমাদের সবারই মাথায় আছে। ইনশাআল্লাহ্ চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি, দলের ভালো করার সামর্থ্য আছে।’
আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল পুরোপুরি ব্যর্থ ছিল। চলতি বছরের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়াতে অনুষ্ঠিত হবে আরেকটি টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বকাপ। ফলে বিপিএল থেকেই বিশ্বকাপের দল খুঁজে নিতে সুবিধা হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশের এই টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক, ‘বিশ্বকাপে আমাদের যে প্রত্যাশা ছিল, সত্যি বলতে তা পূরণ করতে পারিনি। সামনে আরেকটা বিশ্বকাপ আছে, আরেকটা সুযোগ। ফরমেশন নিয়েও হয়তো টিম ম্যানেজমেন্ট চিন্তা করবে, কারণ কন্ডিশন ভিন্ন হবে। হয়তো পেস বোলিং অলরাউন্ডারদের আধিক্য থাকবে, রিস্ট স্পিনারের প্রয়োজনীয়তা বেশি থাকবে। এই জিনিসগুলো সবারই মাথায় আছে। যারা (বিপিএল) পারফর্ম করবে তাদের সুযোগ থাকবে।’