মেহেদী হাসান মিরাজের ঘটনা নিয়ে একদিন আগেই চট্টগ্রামে নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে ক্রিকেটার ও ফ্রাঞ্চাইজির মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে পারিশ্রমিক নিয়ে। জানা গেছে, সিলেট সানরাইজার্সের এক ক্রিকেটার হুমকি দিয়েছিলেন পারিশ্রমিকের পুরো অর্থ না দিলে বিপিএল খেলবেন না! পরবর্তী সময়ে ফ্রাঞ্চাইজি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে অভিযোগ করলে তারা বিষয়টি সমাধান করে।
সিলেটের ওই ক্রিকেটার প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগে ৩৫ লাখ টাকায় চুক্তি করে সিলেটের সঙ্গে। ফ্রাঞ্চাইজি চুক্তি অনুযায়ী, ৭০ ভাগ টাকা পরিশোধ করলেও ওই ক্রিকেটার বিপিএল চলাকালীন পারিশ্রমিকের পুরো অর্থ চেয়ে বসেছেন। তাতেই নতুন করে সমস্যার তৈরি হয়।
ওই ক্রিকেটার কে এবং ফ্রাঞ্চাইজির নাম না বললেও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল বলেছেন, ‘একটা নির্দিষ্ট অঙ্কে একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে ফ্রাঞ্চাইজির সরাসরি সাইনিং হয়েছিল। চুক্তির ৭০ ভাগ টাকা ফ্রাঞ্চাইজি দিয়েও দিয়েছে। ফ্রাঞ্চাইজি আজ (সোমবার) আমাদেরকে জানাল, ওই খেলোয়াড় এখনই পুরো টাকা চাচ্ছে। আমি নিজে মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। ৭০ ভাগ টাকা পাওয়ার পরও ওই খেলোয়াড় চাপ দিচ্ছে। সে ফোন ধরেনি। খেলোয়াড় তাকে বলছে, পুরো টাকা না পেলে সে খেলবে না।’
ইসমাইল হায়দার যোগ করেন, ‘চুক্তি যেভাবে হয়… ৫০ পারসেন্ট সাইনিংয়ের সময় দেওয়া হয়। ২৫ ভাগ টুর্নামেন্ট চলার সময় এবং ২৫ ভাগ পরে দেওয়ার কথা। এটা ৫০-৩০-২০-ও হতে পারে। সেগুলোও সমস্যা না। কারণ স্থানীয় খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক কিন্তু গ্যারান্টি করে রেখেছি আমরা। তাই সবাইকে একটু সহনশীল হতে হবে। ধৈর্যশীল হতে হবে। দায়িত্ববান হওয়ার অ্যাটিটিউড শো করতে হবে। না হলে এরকম বিতর্ক আসতে থাকবে। টুর্নামেন্টের ক্ষতি হবে।’
এদিকে, সিলেট ফ্রাঞ্চাইজির দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘একটা মিস কমিউনিকেশন হয়েছিল আমাদের। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল বিষয়টি সমাধান করে ফেলেছে।’
জানা গেছে, সিলেট সানরাইজার্সের খেলোয়াড় তাসকিন আহমেদ ফ্রাঞ্চাইজির কাছে পারিশ্রমিকের পুরো অর্থ দেওয়ার জন্য চাপ দেন।