অ্যাশেজ ব্যর্থতায় চাকরি গেলো সিলভারউডেরও 

মর্যাদার লড়াই বলে কথা। অথচ অ্যাশেজের সেই লড়াইয়ে ব্যর্থতার ষোলোকলা পূর্ণ করেছে ইংল্যান্ড। যে ব্যর্থতার দায়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডে চাকরি হারালেন দুজন। ক্রিকেট ডিরেক্টর অ্যাশলে জাইলসকে ছাঁটাইয়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চাকরি গেছে হেড কোচ ক্রিস সিলভারউডেরও।

অ্যাশেজের এই ব্যর্থতার কোনও ব্যাখ্যা কেউই দিতে পারছে না। হারটা ছিল ৪-০ ব্যবধানে। তার পরেও মনে হচ্ছিল ইংলিশ শিবির সব ভুলে হয়তো তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে ক্যারিবিয়ানেই যাচ্ছে। কিন্তু ঘটনাটা ঘটলো ঠিক সফরের সপ্তাহ খানেক আগে।

বিদায় বেলায় অবশ্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে গেছেন সিলভারউড, ‘ইংল্যান্ডের হেড কোচ হতে পারাটা সম্মানের। খেলোয়াড় ও স্টাফদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত। আমার এই কাজের সময় সবাই যে পরিমাণ পরিশ্রম ও অঙ্গীকার দেখিয়েছে। সেজন্য সবাইকে ধন্যবাদ।    

অথচ এই সিলভারউডকে সহকারী কোচ থেকেই হেড কোচ বানানো হয়েছিল। দায়িত্ব বুঝে নেন বিশ্বকাপ জয়ী কোচ ট্রেভর বেইলিসের কাছ থেকে। শুরুর দিকে কিছু সাফল্যও ছিল। কিন্তু শেষ ১২ মাসে বাজে ফর্মের খেসারত দিতে হয়েছে তাকে। ১৪ টেস্টের মাঝে ইংল্যান্ড একটি জয়ের বিপরীতে হেরেছে ১০টিতে। 

সিলভারউড চলে যাওয়ায় দায়িত্ব সামলানোর জন্য ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ রিচার্ড ডসনসহ বেশ কয়েকজনকে ভাবা হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক অ্যালেক স্টুয়ার্টের নাম।