দুই লাল কার্ডের ম্যাচে মোহামেডানকে জিততে দেয়নি শেখ রাসেল

মালির স্ট্রাইকার সোলেমানে দিয়াবাতের লক্ষ্যভেদে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং। প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়ে ১০ জনের শেখ রাসেলের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে তারা। কিন্তু দুর্ভাগ্য, দ্বিতীয়ার্ধে সাদা-কালোরাও ১০ জনের দলে পরিণত! এই সুযোগে শেখ রাসেল দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসে মোহামেডানকে জিততে দেয়নি। প্রিমিয়ার লিগের দুই দলের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ স্কোরলাইনে।

আজ (শনিবার) টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে ম্যাচ ঘড়ির ২৩ মিনিটে মোহামেডান কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়। জটলার ভেতর থেকে দিয়াবাতের হেড গোললাইন থেকে সাদউদ্দিন হাত দিয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বল হাতে লেগে জড়িয়ে যায় জালে। ইচ্ছাকৃতভাবে হাত দিয়ে বল আটকিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন সাদউদ্দিন। শেখ রাসেল পরিণত হয় ১০ জনের দলে।

একজন কম নিয়ে খেলে সাইফুল বারী টিটুর দল কিছুটা রক্ষণ জমাট করে খেলার চেষ্টা করে। তিন মিনিট পর দিয়াবাতের শট প্রতিহত করেন আশরাফুল ইসলাম রানা। ৩৩ মিনিটে খুব কাছাকাছি থেকে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার অ্যারন জন রিয়ারডনের হেডও ফিরিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ হতে দেননি শেখ রাসেল গোলকিপার।

শেখ রাসেল এই অর্ধে বলার মতো ভালো সুযোগ নষ্ট করে ৩৬ মিনিটে। তাদের সমতায় ফিরতে দেননি গোলকিপার মোহাম্মদ সুজন। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড থিয়াগো এদুয়ার্দো দো আমারাল বক্সের ভেতরে একজনকে কাটিয়ে শট নেওয়ার পর ঝাঁপিয়ে পড়ে ফেরান মোহামেডান গোলকিপার। এরপর দলটির পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ইসমায়েল রুতি তাবারেজের ফিরতি শট বাইরে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জনের দলে পরিণত হয় মোহামেডানও। বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে মাসুদ রানার পা রহমত মিয়ার মাথা ছুঁলে সরাসরি লাল কার্ড দেন রেফারি সাইমান হাসান। এরপর খেলায় ফেরার চেষ্টা করে শেখ রাসেল।

৮৫ মিনিটে অবশেষে সমতার স্বস্তি ফেরায় ২০১২-২০১৩ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নরা। রহমত মিয়ার কর্নারে কিরগিজস্তানের ডিফেন্ডার আইজার আখমেতভের হেড চোখের পলকে ঠিকানা খুঁজে নেয়। এতেই দুই দল ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে।