চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবেই বিশ্বকাপ মিশনে গিয়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। কিন্তু প্রত্যাশার চাপে পিষ্ট হওয়া রাকিবুল হাসানের দল অষ্টম হয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করেছে! ২/১ একজন ক্রিকেটার ব্যক্তিগত সাফল্য পেলেও দলকে জয়ে পাইয়ে দিতে সেটি ভূমিকা রাখেনি। পেস বোলিং অলরাউন্ডার রিপন মণ্ডল ব্যাটিং-বোলিংয়ে নিয়মিত আলো ছড়িয়েছেন। অন্যদিকে শেষ দুই ম্যাচে পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টানা দুই সেঞ্চুরি করে আরিফুল ইসলামও কিছুটা মান রেখেছেন। দল খালি হাতে ফিরলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার রিপন মণ্ডল।
শনিবার রাতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে পঞ্চমবারের মতো যুব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে ভারত। দলটির চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মধ্য দিয়েই পর্দা নেমেছে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের। টুর্নামেন্ট শেষ হতেই আইসিসি আসরের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে। যেখানে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন রিপন মন্ডল।
এবারের বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচ খেলে আসরের চতুর্থ সর্বোচ্চ ১৪ উইকেট শিকার করেছেন ১৮ বছর বয়সী এই তরুণ। এছাড়া লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিংয়ে নেমেও চার ইনিংসে করেছেন ৫৬ রান। আউট হননি একবারও। মূলত কার্যকরী বোলিংয়ের সুবাদেই বিশ্বকাপের সেরা একাদশে জায়গা পেয়েছেন তিনি।
আসরের শিরোপাজয়ী অধিনায়ক যশ ঢুলকেই করা হয়েছে বিশ্বকাপসেরা একাদশের অধিনায়ক। চ্যাম্পিয়ন দল ভারত থেকে সর্বোচ্চ তিনজন খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন এই একাদশে। উইকেটরক্ষক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের হাসিবুল্লাহ খানকে। রিপন ছাড়া একাদশের অন্য দুই পেসার ইংল্যান্ড জশ বয়ডেন ও পাকিস্তানের আওয়াইজ আলী। বিশ্বকাপের এক আসরে রেকর্ড ৫০৬ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটার ডেওয়াল্ড ব্রেভিসকে ঘিরেই সাজানো হয়েছে ব্যাটিং অর্ডার। তিনি ছাড়া আছেন টিগ উইলি, টম প্রেস্টরা।
২০২২ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেরা একাদশ: হাসিবুল্লাহ খান (উইকেটরক্ষক, পাকিস্তান), টিগ উইলি (অস্ট্রেলিয়া), ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (দক্ষিণ আফ্রিকা), যশ ঢুল (অধিনায়ক, ভারত), টম প্রেস্ট (ইংল্যান্ড), দুনিথ ওয়েলেলাগে (শ্রীলঙ্কা), রাজ বাওয়া (ভারত), ভিকি ওস্তাওয়াল (ভারত), রিপন মন্ডল (বাংলাদেশ), আওয়াইস আলী (পাকিস্তান) ও জশ বয়ডেন (ইংল্যান্ড)।
দ্বাদশ খেলোয়াড়: নূর আহমেদ (আফগানিস্তান)।