অ্যাশওয়েল প্রিন্সের পদত্যাগের পর দিন জানা গেলো বাংলাদেশের পরবর্তী ব্যাটিং কোচ হতে যাচ্ছেন জেমি সিডন্স। একটি জাতীয় দৈনিকে এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গেম ডেভেলপমেন্ট প্রধান খালেদ মাহমুদ সুজন বলছেন, সিডন্সের মতো পরীক্ষিত একজনকে কোচ করায় সেটা উঠতি ক্রিকেটারদের ভীষণ কাজে আসবে।
বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে সুজন বলেছেন, ‘সিডন্স তো পরীক্ষিত। ব্যাটিং কোচ হিসেবে বেস্ট। এটা অবশ্যই উঠতি ক্রিকেটারদের জন্য কাজে লাগবে। তিনি বিপিএলের খেলাগুলো দেখছেন। এই ফরম্যাটে কী অ্যাটিচুড নিয়ে ক্রিকেটাররা ব্যাট করছে সেটাও দেখছেন। তামিমদের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক আছে। এখন নতুনদের সঙ্গে কাজ করলে অবশ্যই সবদিক থেকে ভালো হবে আশা করি।’
ব্যাটিং কোচ নিয়োগ পেলেও বোলিং কোচের আসনটা এখনও খালি। বিসিবিও সেই কোচের জন্য হন্যে হয়ে খুঁজছে। পছন্দের তালিকায় চামিন্দা ভাসের নাম এলেও এ নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে নারাজ বিসিবি। সুজন বলেছেন, ‘আমরা আসলে তাড়াহুড়ো করতে চাচ্ছি না। দেখা যায় তাড়াহুড়োর কাজটা কখনও ভালো হয় না। চামিন্দা ভাসের নাম এসেছে। চামিন্দা অবশ্যই অনেক বড় খেলোয়াড় ছিলেন। কোচ হিসেবে কত বড় এটা প্রমাণিত না।’
আফগানিস্তান সিরিজ সন্নিকটে থাকায় আপাতত এইচপির বোলিং পরামর্শক চম্পকা রমানায়েককে দিয়েই এই দায়িত্ব সামলানোর কথা ভাবা হচ্ছে। যার আলাদা কারণও আছে। সুজনের কথাতেই উঠে এলো, ‘চম্পাকা এ দেশে অনেক দিন ধরে কাজ করছেন। যত তরুণ পেসার উঠে এসেছে, তার সঙ্গে কোনও না কোনোভাবে কাজ করেছে। সুতরাং চম্পাকা ওদের ব্যাকগ্রাউন্ড জানেন। এখনকার একটা সমাধান হয়তো চম্পাকা হতে পারেন। তবে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করলে আমরা এমন কাউকে নিতে চাই, যাকে নিলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ফল বয়ে আনবে।’