বাংলাদেশ দলের জার্সি গায়ে জড়ানো হয়েছে। লাল বলে রাঙিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মঞ্চ। এবার সাদা বলের দুনিয়ায় নাম লেখাতে যাচ্ছেন মাহমুদুল হাসান জয়। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন যুব বিশ্বকাপজয়ী ব্যাটার। বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে মাঠ মাতানো তরুণ এই ক্রিকেটার নিজের সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছেন। সেই যাত্রায় নিজেকে আরও শাণিত করতে সান্নিধ্য পেয়েছেন ফাফ ডু প্লেসি ও মঈন আলীর।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে সতীর্থ হিসেবে পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটার ও ইংলিশ অলরাউন্ডারকে। বিশ্বের প্রায় সব বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলা এই দুই ক্রিকেটারের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পেয়েছেন জয়। খুব কাছ থেকে দেখে নিজের মধ্যে বুনেছেন আত্মবিশ্বাসের বীজ। কী কথা হয়েছে ডু প্লেসি ও মঈনের সঙ্গে? সংবাদমাধ্যমকে জয় বলেছেন, ‘মঈন ভাইয়ের সঙ্গে অনেক কথা হয়েছে, টেকনিকের ব্যাপারে অনেক কথা হয়েছে। ডু প্লেসির সঙ্গেও কথা হয়েছে। আমাদের পরবর্তী সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকায়, ওখানে খেলা আছে। ওই ব্যাপারে কিছু কথা হয়েছে।’
কুমিল্লায় তিনি কোচ হিসেবে পেয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম দুই সেরা কোচ স্টিভ রোডস ও মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে। তাদের কাছ থেকেও পেয়েছেন নানা দীক্ষা। সালাউদ্দিন প্রসঙ্গে জয়ের বক্তব্য, ‘স্যারের (সালাউদ্দিন) কাছ থেকে টেকনিকের বিষয়ে শেখার চেষ্টা করছি। টিমে যোগ দেওয়ার পর প্রথমে স্যারের কাছ থেকে ব্যাটিংয়ের টেকনিক বিষয়ে শেখার চেষ্টা করছি।’
রোডস ছিলেন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ। কুমিল্লার উপদেষ্টা হিসেবে আবার বাংলাদেশে ফিরেছেন। ইংলিশ এই কোচের ব্যাপারে জয় বলেছেন, ‘স্টিভ রোডস আমাকে কিছু রিল দেখান। তিনি বলছেন, “আমি যখন থাকবো না এগুলো কন্টিনিউ করবে, তাহলে সাদা বলে উন্নতি করা যাবে।”
আফগানিস্তান সিরিজ দিয়ে প্রথমবার ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছেন এই তরুণ ব্যাটার। স্বভাবতই তিনি খুশি, ‘অবশ্যই আমিও একটু হ্যাপি। টেস্টের পর ওয়ানডেতে ডাক পেয়েছি। যদি সুযোগ পাই ইনআশাল্লাহ দেশের হয়ে ভালো করার চেষ্টা করবো।’
নিজের লক্ষ্যও স্থির করে ফেলেছেন জয়, ‘সাদা বল ও লাল বলের খেলা সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমি চেষ্টা করবো, এখন আমার তিনটা ওয়ানডে আছে, এগুলো কীভাবে ভালো করা যায়। আমার যে সহজাত খেলা আছে ওটা খেলার চেষ্টা করবো।’