আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে জিতে সিরিজে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। অবিশ্বাস্য জয়ের পর বৃহস্পতিবার ঐচ্ছিক অনুশীলন ছিল ক্রিকেটারদের। এমন দিনে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। অথচ সেখানে জাতীয় দলের চেয়ে প্রাধান্য পেলো তার কোচিং ক্যারিয়ার-ই।
অবশ্য এমন হওয়ার কারণ ডমিঙ্গোকে নিয়ে চলমান নানা গুঞ্জন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যর্থতার পর তার অনেক সমালোচনা হচ্ছিল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে রেখে দিলেও ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুককে বিদায় করে দিয়েছে। পদত্যাগ করেছেন ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্সও। পরে অবশ্য জেমি সিডন্স ব্যাটিং কোচ হিসেবে যোগ দিযেছেন। তবে প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোকে আগামী দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ পর্যন্ত-ই রাখার পরিকল্পনা বিসিবির।
কিন্তু প্রোটিয়া এই কোচ এতসব গুঞ্জনের জন্য দুষলেন গণমাধ্যমকেই, ‘এটা বিসিবির ব্যাপার। আমি আত্মবিশ্বাসী না হলে একটি আন্তর্জাতিক দলকে কোচিং করাতাম না। গণমাধ্যম ও মানুষ যা বলে, আমি তাতে মেজাজ হারাতে পারি। কিন্তু এটা করা জরুরি নয়। আপনাদের কাজ এটা, আমাকে বা খেলোয়াড়দের নিয়ে যা খুশি লিখতে পারেন। আমি সেটা খেলোয়াড়দের থেকে দূরে রাখি। আপনাদের যা খুশি আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারেন। আমি মেজাজ হারাবো না। কিন্তু সত্যি বলতে, আপনারা যা লেখেন, তা বেশিরভাগ সময় আমি বুঝতেই পারি না।’
বৃহস্পতিবার ঐচ্ছিক অনুশীলনে খুব বেশি ক্রিকেটার মাঠে আসেনি। একাদশে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলী রাব্বি কেবল অনুশীলন করেছেন। বাকি যারা ছিলেন, তারা সবাই একাদশের বাইরের ক্রিকেটার। অনুশীলনে তামিমদের খুব সিরিয়াসই দেখা গেলো। অনুশীলন নিয়ে ডমিঙ্গো বলেছেন, ‘আজ ঐচ্ছিক অনুশীলন ছিল। ছেলেরা মাসব্যাপী খেলেছে। বিপিএল ফাইনাল খেলে এখানে চলে এসেছে। এখন অনুশীলনের চেয়েও বিশ্রাম বেশি জরুরী। যারা খেলার মধ্যে কম ছিল, তাদের জন্য আজকের এই অনুশীলন। এই অনুশীলন বাধ্যতামূলক নয়। বিশ্রামও কিন্তু অনেক প্রয়োজন।’
বিপিএলে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন মুশফিক। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও ব্যর্থ ছিলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। বৃহস্পতিবার ঐচ্ছিক অনুশীলনের আগে-পরে মিলিয়ে বেশ কিছুক্ষণ তার সঙ্গে কথা বলেছেন ডমিঙ্গো। তবে কী নিয়ে কথা, সেটি গোপন করেছেন হেড কোচ, ‘আপনাদের বলার মতো নয়। এটা আমার ও খেলোয়াড়ের মধ্যকার কথাবার্তা।’