শুরুতেই চাপে আফগানিস্তান

সিরিজে টিকে থাকতে সামনে রয়েছে ৩০৭ রানের বিশাল লক্ষ্য। অথচ সেই মিশনে খেলতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গেছে আফগানিস্তান। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১২ ওভারে সফরকারীদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৪৫। ক্রিজে আছেন রহমত শাহ (২২) ও নাজিবুল্লাহ জাদরান (৬)।

রহমানুল্লাহ গুরবাজ ইনজুরিতে থাকায় ওপেনিংয়ে নামতে পারেননি তিনি। তার বদলে নামেন রিয়াজ হাসান। কিন্তু বিশাল লক্ষ্যের সামনে শুরুতেই গড়বড় করে ফেলেন এই ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে প্রথম বলে আফিফের রানআউটের শিকার হন হয়েছেন।

চাপ আরও বেড়ে যায় শরিফুলের চতুর্থ ওভারে। ব্যাট করছিলেন হাশমতউল্লাহ শহীদি। চতুর্থ ডেলিভারিতে ইনসাইড এজ হওয়া বল অল্পের জন্য তার লেগ স্টাম্পে আঘাত করেনি। কিন্তু পরের বলে আর শেষ রক্ষা হয়নি। বল এজ হয়ে সরাসরি জমা পড়ে মুশফিকের গ্লাভসে। তাতে ৫ রান করে ফিরেছেন আফগান অধিনায়ক। পরে নামা আজমতউল্লাহ ওমারজাইও স্বস্তি ফেরাতে পারেননি দলে। বরং চাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন আরও। ৯ রানে সাকিবের ঘূর্ণিতে স্টাম্পড ফিরেছেন এই ব্যাটার।    

এর আগে লিটন দাস-মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ‍জুটিতে ভর করেই বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে তুলেছে ৩০৬ রান।

টস জিতে বাংলাদেশের হয়ে তৃতীয় উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়েন দুজন। তামিম-সাকিব ব্যর্থ হলেও প্রত্যাশা মিটিয়ে ব্যাটিং করেছেন তারা। একটা পর্যায়ে লিটন এতই আগ্রাসী হয়েছিলেন যে আরও সমৃদ্ধ হতে পারতো স্কোর বোর্ড। কিন্তু ৪৭তম ওভারে ডিপ স্কয়ার লেগে লিটন ক্যাচ তুলে দিলে সেখানেই শেষ হয় বাড়তি রানের সম্ভাবনা। কারণ তার ফেরার পরের বলে ফিরেছেন আরেক সেট ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। ৮৬ রানে ক্রিজে থাকা এই ব্যাটারও ক্যাচ তুলে ফিরেছেন। ৯৩ বলে ফেরা মুশফিকের ইনিংসে ছিল ৯টি চার। তার আগে ১২৬ বলে ১৩৬ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসে ফেরেন লিটন। তাতে ছিল ১৬টি চারের সঙ্গে ২টি চারের মার।

এ দুজন ফেরার পর আফিফ-মাহমুদউল্লাহ সেভাবে রান তুলতে পারেননি। আফিফ অপরাজিত ছিলেন ১৩ রানে, মাহমুদউল্লাহ ৬ রানে। অবশ্য লিটন-মুশফিকের রেকর্ড ২০২ রানের জুটিই নির্ধারণ করে দিয়েছে ম্যাচের মূল গতিপথ। গড়ে দেয় তিনশো রানের ভিত।