মিরপুরের উইকেট ঐতিহ্যগত ভাবেই কিছুটা মন্থর হয়ে থাকে। যেখানে ব্যাটারদের পাওয়ার হিটিং করা বেশ কঠিন। এমন উইকেটে ১৫৫ রান খুব একটা সহজ নয়। তার পরেও ১৫৬ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেওয়ার পর বাকি কাজটা আরও সহজ করে দিয়েছেন পাওয়ার প্লেতে দুর্দান্ত বোলিং করা নাসুম আহমেদ। তার বাঁহাতির ঘূর্ণি জাদুতেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় আফগানদের ব্যাটিং। আসে ৬১ রানের অসাধারণ জয়। লিটন দাস জানালেন, এই বাঁহাতি স্পিনার সব সময়ই ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করেন।
১৫৬ রান তাড়ায় পাওয়ার প্লের মধ্যেই ২০ রানে ৪ উইকেট হারায় সফরকারীরা। যার সবগুলো তুলে নেন নাসুম। টানা ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ১০ রান দিয়েছেন। তাই সংবাদ সম্মেলনে নাসুমের বোলিংয়ের প্রশংসা ঝরলো লিটনের কণ্ঠে, ‘ও (নাসুম) বেসিক বাঁহাতি স্পিনারের মতো আমার মনে হয় না কখনই। কারণ আমি ওকে নেটে খেলি। ও (নাসুম) সব সময় ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করে। টি-টোয়েন্টিতে এই জিনিসটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বোলার যদি একই ছন্দে বল করে, ব্যাটসম্যানদের পিক করা খুব সহজ হয়ে যায়।’
লিটনের ৬০ রানে ভর করেই মূলত ১৫৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। শুরুতে বাংলাদেশের পরিকল্পনা ১৮০ রানের হলেও ড্রেসিংরুমে ১৫৫ রানেও খুব বেশি অস্বস্তি ছিল না। লিটন জানালেন, ‘আমরা যে রানটা করেছি, সবাই টিম মিটিংয়ে বলেছিলাম মিরপুরের জন্য এই রান খুব বেশি না, আবার খুব খারাপও না। আমি আগেও বলেছি ১৮০ হলে ব্যাটসম্যানরা ফ্লোতে খেলে। টেস্টে হলে ব্যাটসম্যানরা চিন্তা করে মারবো কি মারবো না, উইকেট দেবো না।’
এরপর নাসুমের আরও প্রশংসা করে লিটন বলেছেন, ‘নাসুম যে বল করেছে আসলে গেম চেঞ্জিং বল। ও (নাসুম) যদি আর্লি ব্রেক থ্রু না দিতো, তাহলে হয়তো ভিন্নরকম বল গেম হতো। আমি মনে করি উইকেট ভালো ছিল, সে জায়গা থেকে নাসুম যে বল করেছে সেটা অসাধারণ।’