‘এখন ফুলস্টপের সময় চলে এসেছে, যথেষ্ট হয়েছে। আপনি বিসিবির সঙ্গে স্বেচ্ছাচারিতা করতে পারেন না। আপনি বলতে পারেন না যে আমি খেলবো, খেলবো না। আপনি যদি খেলতেই চান, তাহলে ঠিকমতো খেলেন। যদি খেলতে না চান, তাহলে বলে দেন। যদি বিরতি চান, তাহলে পুরোপুরি বিরতি নেন।’- কথাগুলো টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজনের। সাকিব আল হাসানের আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ (বুধবার) ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ৫৩ দিনের ছুটি দিয়েছে বিসিবি। দুবাই থেকে দেশে ফিরলেই তার ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিজ্ঞাপনের কাজে গত রবিবার দুবাই গিয়েছেন সাকিব। ব্যক্তিগত কাজ শেষে আজ (বুধবার) তার দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে ফেরেননি বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার, ফিরবেন বৃহস্পতিবার রাতে। বিসিবি অপেক্ষায় তার দেশে ফেরার। এরপর এই অলরাউন্ডারের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসবে সংস্থাটি। ওই আলোচনার ওপর নির্ভর করছে কী আছে তার ভাগ্যে?
আজ ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এটার (সাকিবের ভবিষ্যৎ) উত্তর এখন দিতে পারছি না। এটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত। সাকিবকে নিয়ে কোনও কিছু করতে হলে আমাদের আলোচনা করতে হবে। সে (সাকিব) আসুক। সে নিজেই বলেছে যে, আমাদের সঙ্গে বসবে। এরপর তার পরিকল্পনা শুনি, সেই অনুযায়ী আমরা পরিকল্পনা করবো। সে কাল (বৃহস্পতিবার) রাতের ফ্লাইটে আসছে। এরপর বোর্ড সভাপতিও (নাজমুল হাসান পাপন) আমাদের সঙ্গে বসবেন। এরপর তার যে পরিকল্পনা সেটা জানাবে।’
২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ছুটি নিয়েছিলেন সাকিব। ওই ছুটির পর টেস্টের প্রতি সাকিবের আগ্রহ নেই- এমন অনেক খবর চাউর হয়েছিল। কিন্তু সাকিব নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন টেস্টের প্রতি তার আগ্রহ আছে। যদিও বাস্তবে সেটি মেলেনি। বিসিবি সভাপতিও একসময় বলেছিলেন সাকিব টেস্ট খেলতে চান না। যদিও এই মুহূর্তে সংস্থাটি বলছে, তার পরিকল্পনা বদলে গেছে।
জালাল ইউনুসের বক্তব্য, ‘সে তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। এখন এটা অ্যাপ্লিকেবল না। তার পরের পরিকল্পনা কালকে (বৃহস্পতিবার) এসে সে বলবে।’