জাতীয় ফুটবল দলে ইংলিশ কোচ জেমি ডের জায়গায় বেশ কিছুদিন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ দিয়েই ভার সামলেছে বাফুফে। প্রথমে অস্কার ব্রুজনের পর মারিও লেমস কাজ করেছেন। নতুন বছরে স্থায়ী কোচ হয়ে জাতীয় দলের বহরে যুক্ত হয়েছেন স্প্যানিশ হাভিয়ের কাবরেরা। যার প্রথম মিশন দুটি ফিফা প্রীতি ম্যাচ। ২৪ মার্চ মালদ্বীপ ও ২৯ মার্চ মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। কাল মঙ্গলবার মালদ্বীপ যাওয়ার আগে স্বাগতিকদের বিপক্ষে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কাবরেরা।
এই কয়দিনে দল নিয়ে নানান পরিকল্পনা হয়েছে। এখন সেটা মাঠের খেলাতে বাস্তবায়ন করতে চাইছেন কাবরেরা। যাওয়ার আগে ৩৭ বছর বয়সী কোচ সোমবার সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘তিন দিন এক সঙ্গে কাজ করেছি, সবাই ইতিবাচক। ফেডারেশনের সঙ্গে দুই মাস ধরে পরিকল্পনা করেছি। খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাদা আলাদা মিটিং করেছি, টেকনিক্যাল স্টাফদের সঙ্গে করেছি। সেসব পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি।’
এখন তিন দিনের অনুশীলনে দল কেমন খেলে, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন কাবরেরা। বলেছেন, ‘আমরা কেমন উন্নতি করেছি, সেটা প্রথম ম্যাচে দেখতে পাবো। খেলোয়াড়রা সবাই ব্যক্তিগত ভাবে দায়িত্ববান। সবকিছু মিলিয়ে আমি খুশি, আমরা সঠিক পথে আছি।’
প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ মালদ্বীপ। ২৪ মার্চ খেলাটি হবে মালেতে। প্রথম ম্যাচ নিয়ে কাবরেরার লক্ষ্য, ‘মালদ্বীপ শক্তিশালী দল, তাদের এই জেনারেশন অনেক দিন ধরে এক সঙ্গে খেলছে। পরিষ্কার ভাবে তারা শক্ত অবস্থানে আছে। তবে আমরাও প্রস্তুত তাদের সঙ্গে ফাইট দিতে।’
এরই মধ্যে মালদ্বীপ ম্যাচের ভিডিও নিয়ে বিশ্লেষণ হয়েছে। সেটি দেখে রণ পরিকল্পনা অনেকটা সাজিয়েও ফেলেছেন কাবরেরা, ‘আমরা ভিডিও সেশনে মালদ্বীপের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করেছি। তবে আমরা নিজেদের নিয়েই বেশি কাজ করছি। কীভাবে দলকে বিল্ডআপ করা যায়। আজ এবং বাকি দুই দিন মালদ্বীপকে নিয়ে আরও কাজ করবো।’
কাবরেরার এটাই জাতীয় দলের হয়ে প্রথম মিশন। তাই চাপটাও একটু বেশি। তবে কাবরেরা মনোযোগ রাখছেন ম্যাচের দিকেই, ‘হ্যাঁ, প্রথম ম্যাচের আগে তো অবশ্যই আমার টেনশন কাজ করবে। যদি টেনশন না হয় তবে আমি পেশাদার নই। এখন শুধু ম্যাচে ফোকাস রাখছি, যেখানে জয়ই মূল লক্ষ্য। তবে আমরা স্টেপ বাই স্টেপ এগিয়ে যেতে চাই।’