ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ

রূপগঞ্জ ও সিটি ক্লাবের জয়

বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল লিজেন্ড অব রূপগঞ্জ ও শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। সুপার সিক্সে যাওয়ার পথ তৈরি করতে জেতার বিকল্প ছিল না শাইনপুকুরের। কিন্ত রূপগঞ্জের বিপক্ষে ৯ রানে হেরে সুপার লিগ থেকে ছিটকে গেছে তারা। বিকেএসপির অন্য মাঠে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে সিটি ক্লাব।

বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে টস জিতে আগে ব্যাটিং করে রূপগঞ্জ। কিন্তু রিপন মণ্ডল ও সিকান্দার রাজার বোলিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২১৫ রানে থামে তাদের ইনিংস। সর্বোচ্চ ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন উইকেটকিপার ব্যাটার ইরফান শুক্কুর। এছাড়া নাঈম ইসলাম খেলেন ৩২ রানের ইনিংস।

শাইনপুকুরের সর্বশেষ যুব বিশ্বকাপ খেলা দলের সদস্য রিপন মণ্ডল ৩৮ রানে ৪ উইকেট নেন। এছাড়া সিকান্দার রাজা ২ উইকেট নেন।

২১৬ রানের জবাবে খেলতে নেমে রূপগঞ্জের পেসার মেহেদী হাসান রানার তোপে ৪৯ ওভারে ২০৬ রান করে অলআউট হয় শাইনপুকুর। রাকিন আহমেদ ৬৭ ও অভিষেক মিত্র করেন ৫৭ রান।

রূপগঞ্জের মেহেদী হাসান রানা ৪টি ও নাঈম ইসলাম নেন ২ উইকেট। ব্যাটিংয়ের পর বল হাতে আলো ছড়িয়ে ম্যাচসেরা নাঈম।

বিকেএসপিতে অন্য ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে দীর্ঘদিন পর প্রিমিয়ার লিগ খেলার সুযোগ পাওয়া সিটি ক্লাব। আগে ব্যাটিং করা ব্রাদার্স দলগত পারফরম্যান্সের ওপর দাঁড়িয়ে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭০ রান সংগ্রহ করে। সর্বোচ্চ রান আসে ধীমান ঘোষের ব্যাট থেকে। ৪৪ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া সোহাগ গাজী অপরাজিত ৪৮, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ৪০ ও ইমতিয়াজ আহমেদ ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন।

সিটি ক্লাবের ওসমান খালিদ ও শাহরিয়ার আলম মাহিম প্রত্যেকে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন।

২৭১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সিটি ক্লাব অধিনায়ক জাওয়াদ রাহেনের ৭৯ রানের ওপর দাঁড়িয়ে ৩ উইকেটের জয় পায়। শেষ ওভারে জয়ের জন্য সিটি ক্লাবের প্রয়োজন ছিল ৬ রান। প্রথম ৫ বলে ৩ রান নিলে শেষ বলে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩ রানের। আমিনুর রহমানের দারুণ এক চারে শেষ বলে এসে জয়ের দেখা পায় সিটি ক্লাব। অধিনায়ক রাহেন ৬৬ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৭৯ রানে অপরাজিত থাকেন। আমিনুর রহমান ৮ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া নাজমুল হোসেন মিলনের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান।

ব্রাদার্সের সোহাগ গাজী ও মানিক খান নেন ২টি করে উইকেট।