কোহলির ব্যাট হাসেনি, তবে ডু প্লেসির ব্যাটে হেসেছে বেঙ্গালুরু

২ বল বাকি ছিল। সেঞ্চুরি করতে লাগতো ৪ রান। কিন্তু হলো না। আউট হয়ে গেলেন ফাফ ডু প্লেসি। তবে সেঞ্চুরির আক্ষেপ তিনি মিটিয়েছেন জয় দিয়ে। আইপিএলে তার দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১৮ রানে হারিয়েছে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে।

মুম্বাইয়ের ম্যাচে ডু প্লেসির ৯৬ রানে ভর দিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮১ রান করে বেঙ্গালুরু। ফর্মে থাকা লখনউ সেই লক্ষ্যের পথে ছুটতে গিয়ে জশ হ্যাজেলউডের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে ৮ উইকেটে করতে পারে ১৬৩ রান। এই জয়ে ৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বেঙ্গালুরু। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে লখনউ।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেনি বেঙ্গালুরু। ৭ রানে হারায় ২ উইকেট। ওপেনার অনুজ রাওয়াত ৪ রান করে ফেরার পর রানের খাতাই খুলতে পারেননি বিরাট কোহলি! অধিনায়কত্বের চাপ থেকে ‍‘মুক্তি’ মিললেও চেনা রূপে পাওয়া যাচ্ছে না সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটারকে। শুরুর ওই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠে বেঙ্গালুরু ডু প্লেসির ব্যাটে। চাপের মধ্যে খেলেন অসাধারণ এক ইনিংস। সেঞ্চুরির পথেও হাঁটছিলেন। তবে একটুর জন্য পারেননি। ২০তম ওভারের পঞ্চম বলে ৯৬ রানে বিদায় নেন ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা বেঙ্গালুরু অধিনায়ক। ৬৪ বলের ইনিংসটি প্রোটিয়া ব্যাটার সাজান ১১ চার ও ২ ছক্কায়।

এছাড়া গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ বলে ২৩), শাহবাজ আহমেদ (২২ বলে ২৬) ও দিনেশ কার্তিক (৮ বলে ১৩*) অবদান রাখেন স্কোর বাড়িয়ে নেওয়ার পথে।

লখনউয়ের দুই পেসার- জেসন হোল্ডার ও দুষ্মন্থ চামিরা প্রত্যেকে নেন ২টি করে উইকেট।

১৮২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি লখনউ। হ্যাজেলউডের চমৎকার বোলিংয়ে ৩৩ রানে হারায় ২ উইকেট। সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ৩০ রান আসে অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের ব্যাট থেকে। এছাড়া ২৪ রান করেন মার্কাস স্টোইনিস।

বেঙ্গালুরু পেসার হ্যাজেলউড ৪ ওভারে মাত্র ২৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। হার্শাল প্যাটেল পেয়েছেন ২ উইকেট।