শেখ জামালের সঙ্গে শিরোপার দৌঁড়ে টিকে আছে কেবল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। এমন হিসেব মাথায় নিয়ে রবিবার জিতলেই শিরোপা লড়াইয়ে শেখ জামালের সঙ্গে ব্যবধান কমাতে পারতো তারা। কিন্তু ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়া তো দূরে থাক, আবাহনীর সঙ্গে লড়াই পর্যন্ত করতে পারেনি সাকিব-মাশরাফিদের দল। আবাহনীর দেওয়া ২৮০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৯৮ রানেই অলআউট হয়ে গেছে রূপগঞ্জ। ফলে ৮১ রানের বড় জয়ে মাঠ ছেড়েছে শান্ত-আফিফ-মোসাদ্দেকরা।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ২৮০ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নামে রূপগঞ্জ। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে কিছুটা পরিবর্তন এনে ওপেনিংয়ে পাঠানো হয় সাব্বির রহমান ও রাকিবুল হাসান নয়নকে। ৪৭ রান যোগ হতেই জুটি ভাঙে তাদের। রাকিবুল ৩১ বলে ২৭ রান করে আউট হয়েছেন। সাব্বিরও বেশিদূর যেতে পারেননি। ৪৫ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় বিস্ফোরক ব্যাটার ৩৮ রান করে আউট হন। এরপর সাকিব (৩), নাঈম (৭), ইরফান (১), মাশরাফি (৯) ব্যর্থ হলে চাপে পড়ে রূপগঞ্জ। পুরো চাপ গিয়ে পরে ভারতীয় ব্যাটার চেরাগ জানির ওপর। তিনি সেই চাপ মুক্ত করেন ৫৬ বলে ৪৮ রান করে। তবে চেরাগ আউট হতেই ফের ছন্দপতন ঘটে তাদের। তানভীর হায়দার ৩৬ এবং মুক্তার আলী ২২ রান করলে সবকটি উইকেট হারানো রূপগঞ্জের স্কোর ৪১.৫ ওভারে দাঁড়ায় ১৯৮ রান।
আবাহনীর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৪০ রান খরচায় চারটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া তানভীর ইসলাম নেন ৩৫ রানে তিনটি উইকেট।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অস্বস্তির হলেও পরে সেটি কাটিয়ে উঠেছে আবাহনী। ৩০ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও আফিফ হোসেন মিলে ১২৬ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামাল দিয়েছেন। আফিফ ৭২ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৬২ রান করে আউট হয়েছেন। সঙ্গী শান্ত অবশ্য সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন। কিন্তু ১০১ বলে ১০ চারে ৮৬ রান করে আউট হয়েছেন। এছাড়া মোসাদ্দেকের ২৮, তৌহিদ হৃদয়ের ২৪, সাইফউদ্দিনের অপরাজিত ৩০ রানে ভর করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭৯ রান সংগ্রহ করে আবাহনী।
ব্যাট হাতে ব্যর্থ হওয়া সাকিব বোলিংয়ে আলো ছড়িয়েছেন। ৫৩ রান খরচায় নেন তিনটি উইকেট। এছাড়া আল আমিন দুটি এবং মাশরাফি, মুক্তার আলী নেন একটি করে উইকেট।