মোস্তাফিজের নিষ্প্রভ দিনে জিততে পারেনি দিল্লিও

দু’বার উইকেট নেওয়ার মুহূর্ত তৈরি করেছিলেন মোস্তাফিজ। কিন্তু ভাগ্য সহায় ছিল না বলে উইকেট শূন্যই থাকলেন রবিবার। সফল ছিলেন না রান আটকানোর ক্ষেত্রেও।৪ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে নিষ্প্রভ থাকলেন পুরোপুরি। আইপিএলে এমন দিনে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও দিল্লি ক্যাপিটালস হার মেনেছে ৬ রানে।

১৯৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও এক পর্যায়ে হারের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল লখনউ। ক্যাচ মিস আর বাজে ফিল্ডিং মোস্তাফিজদের জয়ের জন্য বাড়তি সুযোগ এনে দিয়েছিল। বোনাস রানও পাওয়া যাচ্ছিল তাতে।

বামহাতি পেসার মোহসিন তার শেষ দুই ওভারে পান্ত, রোভম্যান পাওয়েল ও শার্দুল ঠাকুরকে ফিরিয়ে দিল্লিকে প্রায় লড়াই থেকে ছিটকেই দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ দিকে ৩.২ ওভারে অক্ষর প্যাটেল-কুলদীপ যাদবের ৪১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি পুনরায় প্রাণ ফেরায় ম্যাচে। তাতে শেষ ওভারে প্রয়োজন পড়ে ২১ রান। ভাগ্য ভালো, লখনউর মিডিয়াম পেসার মার্কাস স্টয়নিস সফলভাবে সেটি ডিফেন্ড করতে পেরেছিলেন। দিয়েছেন ১৪ রান।   

৭ উইকেট হারানো দিল্লি থেমেছে ১৮৯ রানে। অক্ষর ২৪ বলে ৪২ রানে অপরাজিত ছিলেন। কুলদীপ ৮ বলে অপরাজিত থাকেন ১৬ রানে। এছাড়া মিচেল মার্শ ৩৭ ও পান্ত ৪৪ রান করেছেন। লখনউয়ের হয়ে ১৬ রানে ৪ উইকেট নেন মোহসিন খান। ম্যাচসেরাও তিনি।

এ নিয়ে দ্বিতীয়বার এমন হলো যে শুরুতে টস জিতে ব্যাটিং করা দল শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হাসলো। লখনউয়ের ৩ উইকেটে করা ১৯৫ রানের পেছনে বড় অবদান ছিল লাকেশ রাহুলের ৫১ বলে ৭৭ ও দীপক হুদার ৩৪ বলে করা ৫২ রানের। ৬১ বলে তাদের ৯৫ রানের পার্টনারশিপে মনে হচ্ছিল লক্ষ্যটা বুঝি দুইশো ছাড়াবে। শেষ দিকে দিল্লির বোলাররা রাশ টেনে ধরায় রানটা বেশি দূর যায়নি। দিল্লির হয়ে ৪০ রানে তিনটি উইকেটই নেন মিডিয়াম পেসার শার্দুল ঠাকুর। 

এই জয়ের পর ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে উঠলো লখনউ। ৯ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দিল্লি থাকলো ছয়ে।