সাধারণভাবে চিন্তা করেছি, এজন্য সফল হয়েছি: মিরাজ

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পেলেই জ্বলে উঠেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অন্তত অফস্পিনারের পারফরম্যান্স সেটাই বলে। ক্যারিয়ারে চারবার ম্যাচ সেরা হয়েছেন। তার মধ্যে তিনবারই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে! ১০ জুলাই ঈদের দিনে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন। মূলত সাধারণ পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সাফল্য পেয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

রবিবার গায়ানাতে মিরাজ ৩৬ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। সাজঘরে ফেরান কাইল মায়ার্স, নিকোলাস পুরান ও রোভম্যান পাওয়েলকে। মিরাজের প্রথম শিকার ছিলেন ইনফর্ম মায়ার্স। বাঁহাতি ব্যাটার শুরু থেকেই প্রবল চাপে ছিলেন। নাসুমের অফস্পিন খেলতে পারছিলেন না। চাপ ধরে রাখেন মিরাজও। তার অ্যাঙ্গেল ডেলিভারি পিচড করে হাল্কা বাঁক খেয়ে স্টাম্পে আঘাত করতেই ২৭ বলে ১০ রান করা মায়ার্সের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে।

মিরাজের দ্বিতীয় শিকার রোভম্যান পাওয়েল। ১১ বলে ৯ রান করে রোভম্যান এলবিডাব্লিউর ফাঁদে পড়েন। এছাড়া আর্ম বল ভেতরে ঢুকিয়ে অধিনায়ক নিকোলাস পুরানকে বোল্ড করেন এই অফস্পিনার। দলের সেরা তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে তাইতো ম্যাচ সেরাও হন তিনি।

সাফল্যের রহস্য জানাতে গিয়ে মিরাজ সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা ওভাবে অনুশীলন করতে পারিনি। তবে আমার ছোট অভিজ্ঞতা ছিল। এর আগে গায়ানায় যখন খেলেছিলাম ২০১৮ সালে। ওই সময়ে কীভাবে বোলিং করেছিলাম সেটা অনুভব করার চেষ্টা করেছি। ভিডিও দেখেছি। মানসিকভাবে অনেক শক্ত ছিলাম। আমার ভূমিকা নিয়েও অনেক পরিষ্কার ছিলাম। উইকেট নেওয়ার জন্য আমি বল করিনি। উইকেটে যেহেতু আমাদের সহায়তা আছে, চেষ্টা ছিল ব্যাটাররা যেন কষ্ট করে রান করে এবং ভুল করে; আমি যেন ভুলটা না করি।’

মিরাজ আরও যোগ করে বলেছেন, ‘ওদের ব্যাটাররা সব সময় বিগ শট খেলতে পছন্দ করে। ওরা সব সময় একটা দুইটা ডট হলে মারার চেষ্টা করে। আমি সেটাই খেয়াল করেছি। দুই-তিনটা ডট যদি দিতে পারি, ওরা আমাকে ঝুঁকি নিয়ে মারবে। তখন আমার উইকেট পাওয়ার সুযোগ থাকবে। আমি সবকিছু সাধারণের ভেতরেই রেখেছি। সাধারণভাবে চিন্তা করেছি, এজন্য সফল হয়েছি।’