যেভাবে সফল হলেন নাসুম

কুড়ি ওভারের ম্যাচে নিয়মিত সুযোগ হলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে তা হচ্ছিল না। হবেই বা কীভাবে? প্রায় গুছিয়ে উঠা দলটিতে যে সাকিব আল হাসানের মতো অলরাউন্ডার আছেন। ফলে বাড়তি একজন বাঁহাতি স্পিনার খেলানো এই দলটার জন্য বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। অবশেষে তার অনুপস্থিতিতে সুযোগ পেয়েছেন নাসুম আহমেদ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দারুণ বোলিং করে উইকেট শূন্য ছিলেন। তবে জ্বলে উঠতেও খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। নাসুম পরে জানিয়েছেন সফল হওয়ার রহস্য।

মূলত ডট বলের পরিকল্পনাতেই সফল হয়েছেন এই বামহাতি, ‘আমার প্রথম পরিকল্পনাই থাকে ডট বল করা। পাওয়ার প্লেতে (বোলিং) করতে হয়, ফলে পরিকল্পনা থাকে রানটা যেন আটকাতে পারি। তাতেই সফল হয়েছি, উইকেট পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। তবে প্রথম ম্যাচে উইকেট না পাওয়াতে যে আক্ষেপ ছিল, সেটি চলে গেছে আর কি…।’

অভিষেক সিরিজের দুই ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করে নাসুমের অনুভূতিও অসাধারণ, ‘খুব ভালো লাগছে। সুযোগের অপেক্ষা করছিলাম। এসেছে, ভালো লাগছে। আর (দলের) সবাই পছন্দও করে। আমাকে নিয়ে সবাই মজা করে, হাসাহাসি করে। সবার সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক। তামিম ভাই ব্যক্তিগতভাবে অনেক সমর্থন করেন।’

দলে সাকিব না থাকলেও ছিলেন তাইজুল ইসলাম। ফলে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকাও অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু নাসুম কারও সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করতে চান না, ‘তাইজুল (ইসলাম) ভাই ওনার জায়গায় খেলবেন, আমি আমার জায়গায়। তাইজুল ভাইয়ের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই না, সাকিব ভাইয়ের সঙ্গেও না। দলে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছি এমন না। যে কয়টা ম্যাচই খেলি, ভালো খেলার প্রবণতা থাকে। স্থায়ী হয়ে গিয়েছি, এমনটা মনে করি না। আমাকে খেলতে হলে পারফর্ম করেই খেলতে হবে।’