স্টার্লিং-টেক্টর থাকলে নিউজিল্যান্ডকে হার দেখতে হতো!

ঘরের মাঠে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রতিটি ওয়ানডেতেই লড়াকু মনোভাব দেখিয়েছে আয়ারল্যান্ড। এমনকি তৃতীয় ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে ৩৬০ রান করেও নিউজিল্যান্ড জয়ের নিশ্চয়তা পাচ্ছিল না! শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচটটা শেষ পর্যন্ত এক রানে জিতেছে কিউই দল। বিশাল সংগ্রহের পরও মার্টিন গাপটিল জানালেন, কিছু রান কম হয়ে গেছে তাদের। পাশাপাশি স্বীকারও করেছেন, পল স্টার্লিং ও টেক্টর তৃতীয় উইকেটের জুটিটি বড় করতে পারলে শেষ পর্যন্ত হার দেখতে হতো তাদের।

ডাবলিনের ম্যালাহাইডে টস জিতে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ড ৬ উইকেটে করতে পারে ৩৬০ রান। যা আবার এই মাঠের দ্বিতীয় সর্বোচ্চও। বড় সংগ্রহের মূল ভিতটা গড়ে দেন ওপেনার মার্টিন গাপটিল। ১২৬ বলে ১১৫ রানের ইনিংস খেলেছেন। তাতে ছিল ১৫টি চার ও ২টি ছয়।

জবাবে ৬২ রানে দুই উইকেট হারানো আয়ারল্যান্ড জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করে পল স্টার্লিংয়ের ১২০ ও হ্যারি টেক্টরের ১০৮ রানের সুবাদে। তৃতীয় উইকেটে তাদের ১৭৯ রানের জুটিই আশার সঞ্চার করেছিল। দুজনের বিদায়ের পর সম্ভাবনা টিকে থাকলেও ৯ উইকেটে ৩৫৯ রান করতে পেরেছে স্বাগতিক দল। কিউইদের হয়ে ৬৮ রানে ৪ উইকেট নেন ম্যাট হেনরি। ৭১ রানে তিনটি নিয়েছেন মিচেল স্যান্টনার। শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচের পর গাপটিল বলেছেন, ‘আরও রানের সুযোগ থাকার পরেও সেটি না হলে বিষয়টা সব সময় চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। যদি নির্ধারিত সময়ে কিছু উইকেট কম হারাতাম, তাহলে শেষ দিকে ভালোভাবে চাপ তৈরি করা যেত। তার পরেও ৩৬০ রান করে সেটা ডিফেন্ড করতে পারা কম নয়।’

এর পর তিনি স্বীকার করে নেন তৃতীয় উইকেটে আইরিশরা কতটা চাপে রেখেছিল তাদের, ‘আয়াল্যান্ডের রান তাড়াটা ছিল চিত্তাকর্ষক। এসবক্ষেত্রে জুটি গড়া মূল নিয়ামক। যদি স্টার্লিং-টেক্টর জুটি আরও ৫-১০ ওভার ধরে খেলতো। তাহলে ম্যাচটা দ্রুতই ওরা আমাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে পারতো।’   

তিন ম্যাচের সিরিজ (৩-০) জিতে ওয়ানডে সুপার লিগ টেবিলে শতভাগ জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে নিউজিল্যান্ড। ৯ ম্যাচের সবকটি জিতে অর্জন করেছে ৯০ পয়েন্ট। টেবিলে রয়েছে চতুর্থ স্থানে। ১৮ ম্যাচে ১২৫ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ সমান ম্যাচে ১২০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে অবস্থান করছে।