প্রথম টি-টোয়েন্টি থেকে হারের শিক্ষা নিয়ে ভিন্ন কৌশলে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। তাতে মিলেছে সাফল্যও। এক মোসাদ্দেকের ঘূর্ণিতেই খেই হারিয়েছে জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস হারলেও শুরুতে মোসাদ্দেকের স্পিন দিয়ে প্রথম ওভারে দুই উইকেট তুলে নিতে পেরেছে জিম্বাবুয়ের। বিরতি দিয়ে অফস্পিনিং অলরাউন্ডার আরও দুই উইকেট তুলে নেওয়ায় পাওয়ার প্লের মাঝে ৪ উইকেট পড়ে যায় স্বাগতিকদের। পাওয়ার প্লে শেষে আরও একটি উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়েরও দেখা পেয়েছেন তিনি। টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১২ ওভারে ৫৫ রান। ক্রিজে আছেন রায়ান বার্ল (৬) ও সিকান্দার রাজা (৩০)।
আগের দিন তাসকিন আহমেদ আক্রমণের শুরুটা করেছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচে তাকে বসিয়ে পেসার হাসান মাহমুদকে নেওয়া হয়েছে যদিও। কিন্তু শুরুতে মোসাদ্দেককে দিয়ে খেলানোর ফল পেয়ে যায় হাতেনাতে। প্রথম বলেই অফস্টাম্পের বাইরের নির্বিষ বল খেলতে গিয়ে গ্লাভসবন্দি হয়েছেন রেজিস চাকাভা। তার পর আগের ম্যাচে বড় স্কোরের মঞ্চ গড়া ওয়েসলি মাধেভেরে চার মেরে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ইঙ্গিত দিলেও ভুল করেন শেষ বলে। লুজ স্ট্রোকে ক্যাচ উঠিয়ে দেন জিম্বাবুইয়ান এই ব্যাটার (৪)।
এক ওভার বিরতির পর আবারও মোসাদ্দেকের ঘূর্ণিতে কপাল পুড়ে অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিনের (১)। রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে তালুবন্দি হয়েছেন প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো লিটন দাসের। এমন মুহূর্তে দলকে উদ্ধারে অবদান রাখতে পারেননি শন উইলিয়ামসও। বরং বিপদ বাড়িয়ে গেছেন। মোসাদ্দেকের তৃতীয় ওভারে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ৮ রানে ফিরেছেন এই ব্যাটার।
তার পর সিকান্দার রাজা টিকে থাকলেও নতুন ব্যাটার মিল্টন শুম্বা (৩) যোগ্য সঙ্গী হওয়ার মানসিকতা দেখাতে পারেননি। বড় শট খেলতে গিয়ে দলের পরিস্থিতি আরও জটিল করে গেছেন। তাকে সাজঘরে পাঠিয়েই মোসাদ্দেক ক্যারিয়ার সেরা ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন।
অবশ্য ৩১ রানে জিম্বাবুয়ের ৫ উইকেট পড়লেও হাল ছেড়ে দেননি সিকান্দার রাজা। আগের ম্যাচে বিস্ফোরক ব্যাটিং উপহার দিলেও এদিন দলের প্রয়োজনে খেলছেন ধীর-স্থির মানসিকতায়। দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন রায়ান বার্লকে সঙ্গী করে।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠের আগের টি-টোয়েন্টি ১৭ রানে হেরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। সিরিজ বাঁচানোর মিশনে বাংলাদেশের একাদশে পরিবর্তন আনা হয়েছে দুটি। স্পিনার নাসুম আহমেদকে বসিয়ে সুযোগ দেওয়া হয়েছে আরেক স্পিনার শেখ মেহেদী হাসানকে। আর পেসার তাসকিন আহমেদকে বাদ দিয়ে নেওয়া হয়েছে আরেক পেসার হাসান মাহমুদকে। জিম্বাবুয়ে অবশ্য অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছে।