সুখবরের পাশাপাশি দুঃসংবাদও আছে বাবর আজমদের

সুখবরের পাশাপাশি দুঃসংবাদও শুনতে হচ্ছে বাবর আজমদের। ১৭ বছর পর পাকিস্তান সফর করতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে খেলবে ৭টি টি-টোয়েন্টি। ক্রিকেট উৎসবের মুহূর্তে দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের কঠোর সিদ্ধান্তের কথাও শোনা যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার আসন্ন বিগ ব্যাশে কোনও ক্রিকেটারকেই নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) দিচ্ছে না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

পিসিবির একই অবস্থান আগামী বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি লিগের ক্ষেত্রেও। যদিও এই লিগের বেলায় পিসিবি নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেনি। জানা গেছে, এই সময়ে ঠাসা ক্রিকেট সূচির কথা ভেবে কঠোর অবস্থানে তারা। অবশ্য এটা পরিষ্কার নয় যে, কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে থাকা ক্রিকেটাররাও কেন এই বিধিনিষিধের আওতায়!  

এখন পর্যন্ত যদিও বিবিএল ড্রাফটে বিদেশিদের তালিকায় কোনও পাকিস্তানি ক্রিকেটারের নাম নেই। তবে আশা করা হচ্ছিল, ডেড লাইনের মধ্যেই হয়তো তারা নাম লেখাবেন! গুঞ্জন ছিল আরব আমিরাতের টি-টোয়েন্টি লিগ নিয়েও। সেখানে অনেক শীর্ষ ক্রিকেটারই নাকি চুক্তির প্রস্তাব পেয়েছেন! শেষ পর্যন্ত যদিও কারো নাম শোনা যায়নি।  

অবশ্য অতীতে ২০১৯ সালে এমন পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের ঘটনাও ঘটতে যাচ্ছিল। পরে আর হয়নি যদিও। সাম্প্রতিক সময়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে পিসিবি শুধু ‘দুটি লিগ’ পলিসি মেনে চলেছে। পিএসএলের সঙ্গে অন্য কোনও লিগ। অবস্থাদৃষ্টে এই পলিসিও এখন ক্ষোভের কারণ! কয়েকমাসে বেশ কিছু লিগ চালুর ঘোষণা আসায় পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের চাহিদা বেড়েছে ভীষণভাবে। অথচ তাতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে পিসিবি। বিশাল অঙ্কের অর্থ হাতছাড়া হওয়ায় হতাশাও বাড়ছে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের।

একটা সময় এমন কথাও উঠেছিল, পিসিবি এসব ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করবে। কিন্তু নতুন লিগগুলোর আর্থিক চুক্তির পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ার পর থেকে পিসিবির কোনও সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছে না।